শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২০ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

যশোর প্রতিনিধি ৪:৪৩ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২০

print
শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

যশোর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে।

সদর উপজেলার বলরামপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে তিনি এই জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ বাণিজ্য করেছেন। শুধু তাই নয়, এই নিয়োগ বাণিজ্য বৈধ্য করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। এদিকে ভুক্তভোগী প্রতারিত শিক্ষকরা প্রতিকার চেয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

অভিযুক্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এই নিয়োগের সময় ছিলাম না। আমি জানতে পেরেছি এক মাদ্রাসার সুপার এর সঙ্গে জড়িত। তাকে আমি সতর্ক করে কাগজপত্র ঠিকঠাক করে দিতে বলেছি। কাগজপত্র ঠিকঠাক না হওয়া পর্যন্ত সকলের এমপিওর কাগজপত্র আমরা পাঠাতে পারবো না।

জানা যায়, বলরামপুর আদর্শ মাধ্যমিক স্কুলের বাংলা শিক্ষক লাইলা পারভীন ১৯৯৯ সাল এবং ২০০৪ সাল থেকে সহিদুল ইসলাম সমাজ বিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। স্কুল এমপিওভুক্ত হওয়ার পর সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক যোগসাজশে এ পদে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেন। শিক্ষক লাইলা পারভীনকে সহকারী গ্রন্থগারিক এবং সহিদুল ইসলামকে সহকারী শিক্ষক শরিরচর্চা বিষয়ে নিয়োগ দেন। এ বিষয়ে তাদের কোনো সনদ নেই। এছাড়া সভাপতি তার ছেলের বউকে করনিক পদে নিয়োগ দিতে এসব জালিয়াতি করেছেন। আর করনিক নূর ইসলামকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছেন।

সভাপতি এমএম আকরাম বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তেমন কিছু হয়নি।

সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, আমি একজন শিক্ষক। আমি নিয়োগ কমিটির কিছু না। কাউকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। নিয়োগ কমিটি ও ম্যানেজিং কমিটি নিয়োগ দেয়।