ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০ | ১৮ চৈত্র ১৪২৬

ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২০

print
ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ

সরকার দেশের দরিদ্র ও নদী ভাঙনে সর্বশান্ত হয়ে যাওয়া মানুষদের পুনর্বাসনে আবাসন, কর্মসংস্থান ও আয়-রোজগারের ব্যবস্থা করে দেশকে সমৃদ্ধশালী করার কর্মসূচি চলাকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ত্রাণের চাউল ও টাকা আত্মসাতে অভিযোগ উঠেছে।

গত বছরের ৩০ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে সারুটিয়া ইউনিয়নের নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ টাকা ও চাউল প্রদানকালে ৬টি পরিবার চাউল ও টাকা পেলেও ১৩টি পরিবার তা পায়নি। ১৩ জনের মধ্যে একজন মুক্তিযোদ্ধার নামও রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২২ আগস্ট সারুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান ১৯ জন নদীভাঙ্গন পীড়িত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও গ্রামের মসজিদের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন করেন। সে অনুযায়ী ইউএনও সাইফুল ইসলাম ৮ আগস্ট তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে ৩০টি পরিবারের প্রত্যেককে ৩০ কেজি চাউল ও ৫ হাজার টাকা নগদ সাহায্য প্রদানের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেন মুক্তিযোদ্ধাসহ তালিকাভুক্ত অন্য পরিবারগুলো।

ত্রাণবঞ্চিতদের নামের বিপরীতে যে চাউল ও টাকা গোপনে আত্মসাত করা হয়েছে তা বিরল ঘটনা।

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়নের সময় তিনি উপস্থিত থাকলেও কেউ সাহায্য পেয়েছেন এমন তথ্য তার জানা নেই।

সারুটিয়া ইউনিয়ন চেয়ানম্যান মাহামুদুল হাসান মামুন বলেন, তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২০ জনকে সাহায্যের সুপারিশ করে একটি তালিকা পাঠিয়েছি ইউএনওর অফিসে।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অরিফ উজ জামান জানান, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন।