ভাঙা সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল

ঢাকা, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২ | ১২ আষাঢ় ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

ভাঙা সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল

কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
🕐 ১২:৫০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৯, ২০১৯

ভাঙা সেতুতে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল

কুষ্টিয়ার কুমারখালী-কালীতলা ভায়া-খোকসা-পাংশা সড়কে অবস্থিত শহরতলীর মহেন্দ্রপুর অভিমুখী প্রধান সড়কের গড়ের মাঠ ব্রিজটিতে ভাঙন শুরু হয়েছে। নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিনই শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। এদিকে দুর্ঘটনা এড়াতে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ করার জন্য রাস্তার মাঝে খুঁটি পুঁতে দিয়েছে উপজেলা প্রকৌশলী অফিস এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ চিহিৃত করে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, ব্রিজটির এক পাশে দুই মিটার দৈর্ঘ্য ও দেড় হাত প্রস্থ অংশ নিয়ে ভেঙে পড়ায় শহরের সাথে উপজেলার জগন্নাথপুর,শিলাইদহ ও সদকী ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা খোকসা, মাছপাড়া, পাংশা ও রাজবাড়ীর উত্তর এলাকার ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এতে ইট-ভাটার ট্রাক, ইঞ্জিন চালিত গাড়িসহ বিভিন্ন ভারি যানবাহন দুর্ভোগে পড়েছে।

জানা যায়, বৃটিশ আমলে নির্মিত লোহার তৈরি গড়ের মাঠ ব্রিজটি ভগ্নদশায় পড়ে আছে। বার বার টেন্ডার হলেও কাজ বাস্তবায়ন হয়নি। ব্রিজটি নির্মাণে নকশার ত্রুটির কারণে কোন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজে আগ্রহী হচ্ছে না, আবার আগ্রহী হলেও কাজ না করে সরে যাচ্ছে। ব্রিজে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন হাজারো মানুষ।

এ বিষয়ে গড়ের মাঠ ব্রিজ দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারী ভ্যান চালক রাজ্জাক জানান, সংস্কারের অভাবে যুগ যুগ ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে ব্রিজটি। কয়েকদিন হলো ব্রিজটির এক পাশে ভেঙে পড়েছে। কিন্তু কাছাকাছি বিকল্প রাস্তা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান এনজিও কর্মী খোরশেদ আলম।

উপজেলা প্রকৌশলী মাহাবুব আলম জানান, আমি পরিদর্শন করেছি। ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ইতিমধ্যে রাস্তার মাঝে খুঁটি পুঁতে দিয়ে ভারি যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, গত ১৮ নভেম্বর চতুর্থ বারের মতো টেন্ডার হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই কাজ শুরু হবে। উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা যায়, ৮০ ফুট লম্বা এবং ১৮ ফুট চওড়া ব্রিজটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩ লক্ষ টাকা। পিসি গার্ডার ক্যাটাগরিতে ব্রিজটি নির্মাণের কারণে ছোট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করতে সাহস পায়না, আবার বড় প্রতিষ্ঠান ছোট কাজ ভেবে এগিয়ে না আসায় বছরের পর বছর ব্রিজ নির্মাণ কাজটি ঝুলে আছে।

 

 
Electronic Paper