টিসিবির পেঁয়াজেও প্রভাব পড়েনি বাজারে

ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১৫ আশ্বিন ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

টিসিবির পেঁয়াজেও প্রভাব পড়েনি বাজারে

জামাল হোসেন, খুলনা
🕐 ১২:৪১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০১৯

টিসিবির পেঁয়াজেও প্রভাব পড়েনি বাজারে

খুলনায় বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে নগরীর পাঁচটি স্থানে ট্রাকের মাধ্যমে টিসিবি পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করলেও প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে। জোড়া সেঞ্চুরিতে গতকাল রোববারও বিক্রি হয়েছে দেশি পেঁয়াজ। বাজারে মনিটরিং না থাকায় অসাধু খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্রেতার পকেট কাটছে অনায়াসে।

অন্যদিকে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রিতে ভোক্তাদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। নির্ধারিত সময়ের আগেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে সংস্থাটির পেঁয়াজ। বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ পেঁয়াজ কিনতে এসে দাঁড়িয়ে থাকছেন লাইনে। আবার দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও পেঁয়াজ কিনতে না পেরে চলে যাচ্ছেন অনেকে। এ কারণে পেঁয়াজ বিক্রির স্থান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে কেজি প্রতি দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, মিশরের পেঁয়াজ ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। নগরীর রেলস্টেশন রোডস্থ কদমতলা বড় বাজার পাইকারি মোকামে প্রতি কেজি পাকিস্তানি পেঁয়াজ ১৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। নগরীর রেলস্টেশন রোডস্থ কদমতলা বড় বাজার মোকামগুলোতে দেশি পেঁয়াজের দেখা না মিললেও পাওয়া যাচ্ছে পাকিস্তানি ও মিশরের পেঁয়াজ। তবে বিভিন্ন খুচরা বাজারে মারাত্মক অমিল দেখা দিয়েছে দেশি পেঁয়াজের। তাই দেশি পেঁয়াজ যে দোকানে পাওয়া যাচ্ছে তা বিক্রি হচ্ছে অধিক মূল্যে।

নগরীর বড় বাজারের আমদানিকারক মিলন ফরাজী বলেন, গতকাল রেলস্টেশন রোডস্থ কদমতলা মোকামে মাত্র ১০ টন পাকিস্তানি পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। যেখানে খুলনায় চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন ট্রাক পেঁয়াজ প্রয়োজন। কেজি প্রতি পাকিস্তানি পেঁয়াজ ১৭০ টাকা দরে মোকামে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন থেকে কেজি প্রতি পেঁয়াজ ১৩০ দরে বিক্রি করতে বলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

টুটপাড়া কবরখানা মোড় এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি কার্যক্রম শুরু করেছে টিসিবি। এরপরও খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাইনে দাঁড়িয়ে যারা পেঁয়াজ কিনতে আসেন, তারা সাধারণ মানুষের কাতারে পড়েন না। বিভিন্ন জনকে লাইনে দাঁড়িয়ে দিয়ে পেঁয়াজ কিনে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অধিক দামে কালোবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। খতিয়ে দেখলে এর সত্যতা বেরিয়ে আসবে বলেও জানান তিনি।

 
Electronic Paper