ধর্ষণের পর হত্যা কিনা জানতে লাশ উত্তোলন

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

কুষ্টিয়ায় সালমার মৃত্যু

ধর্ষণের পর হত্যা কিনা জানতে লাশ উত্তোলন

কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি ৫:১৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৮, ২০১৯

print
ধর্ষণের পর হত্যা কিনা জানতে লাশ উত্তোলন

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে কলেজছাত্রী সালমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে কিনা তা জানতে প্রায় দুই মাস পর তার লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খানের উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

সালমা পান্টি ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ও বাগবাড়ীয়া গ্রামের সবদার জোয়াদ্দারের মেয়ে। শাকিল নামে এক যুবকের সালমার সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করলেও সম্প্রতি তাকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খান জানান, আদালতের নির্দেশ অনুসারে লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামরুল হাসান জানান, বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশ অনুসারে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

সালমার পরিবার জানায়, পান্টি ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. শাকিল (২১) সালমার সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে আসছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের লোকজন সালমাকে অন্যত্র বিয়ে দেন। কিন্তু বিয়ের পরও শাকিল নানাভাবে তাকে হুমকি দিয়ে আসছির। এমনকি তার স্বামীকে ছেড়ে আসার কথাও বলে শাকিল।

এ নিয়ে তার সংসারে সংঘাত দেখা দেয়। তবুও স্বামীকে তালাক দিতে চাপ দিয়ে আসছিল শাকিল। একপর্যায়ে শাকিলের চাপে সালমা তার স্বামীকে তালাকের নোটিশ পাঠায়। ৯ সেপ্টেম্বর সকালে শাকিলের বাড়িতে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় সালমার লাশ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় সালমার বাবা জোয়াদ্দার বাদী হয়ে শাকিলসহ সাতজনের বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করে।