ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মহিষের খামার

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মহিষের খামার

খুলনা ব্যুরো ৯:৪১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০১৯

print
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মহিষের খামার

ঘুরে দাড়াচ্ছে দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারটি। নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও সরকারের বিশেষ নজরদারিতে ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে খামারটি। গবাদি পশুপালন বৃদ্ধি ও পর্যাপ্ত মাংস এবং দুধের চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর এ খামার থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় শঙ্কর জাতের বকনা ও ষাড় ভর্তুকি মূল্যে বিতরণ করছে সরকার। দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে শঙ্কর জাতের এ মহিষের খামারটি বিস্তার লাভ করছে।

জানা গেছে, দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারটি বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পিলজং ইউনিয়নের ভেড়বাড়ী এলাকায় অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশে ৮০ একর জমির ওপর নির্মিত ১১টি টিন সেডে ২২৫টি মহিষ নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে খামারটি। এখানে ১৯০টি পূর্ণ বয়স্ক গাভী, ৩৬টি ষাঁড়, ১২৪টি বকনা, ৬১টি বাছুর, ৬১টি বকনা বাছুর, ৪টি বলদ মিলিয়ে মোট ৪৬৬টি মহিষ নিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করে।

শঙ্কর জাতের মহিষ প্রজনন খামারটি আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ উন্নতমানের খাবার মজুদ থাকার পাশাপাশি মানসম্মত পুষ্টিকর দুধ উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

মহিষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে খামারটিতে শুকনো খড় ১২,০৪০০ কেজি, সয়াবিন মিল ৪,৫০০ কেজি, গমের ভুসি ২০,০০০ কেজি, রক সল্ট ৩০০ কেজি, ভুট্টা ৭৫০০ কেজি, খেসারি ৪৯০০ কেজি, ছোলা ২০০০ কেজি, ভিটামিন ৯০০ কেজি, আয়োডিন লবন ২০০ কেজি মজুদ রয়েছে।