কঠোর পরিশ্রমের সুফল পেয়েছি

ঢাকা, বুধবার, ২২ মে ২০১৯ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

কঠোর পরিশ্রমের সুফল পেয়েছি

সাজ্জাদ হোসেন ৩:২৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০১৯

print
কঠোর পরিশ্রমের সুফল পেয়েছি

বর্তমান সময়ের ব্যস্ততম অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান নিজের ব্যস্ততা ও সফলতার রহস্য জানালেন সাজ্জাদ হোসেনকে

এখন চ্যানেল খুললেই জোভান আর জোভান সোশ্যাল মিডিয়া সব জায়গায় এখন জোভানময় সফলতার রহস্য কী?
কিছুদিন আমি নাটকে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি। তার একটা ফল তো আমার পাওয়া উচিত বলে মনে করি। এখন যে সবাই আজকের সফল জোভানকে দেখছেন তার পেছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম। মিডিয়া এখন এমন প্রতিযোগিতামূলক জায়গা হয়ে গেছে এখানে আপনি রাতারাতি কোনো খ্যাতি অর্জনের চেষ্টা করলে ব্যর্থ হবেন। আপনাকে টিকে থাকতে হলে কষ্ট করেই টিকে থাকতে হবে।

আপনার চোখে সমসাময়িক আর কাকে দেখছেন যে কষ্ট করে উঠে এসেছে?
অনেকেই উঠে এসেছে, তবে তাদের মধ্যে আমি সিয়ামের নাম বলতে চাই। সিয়াম আমার ভালো বন্ধু। ও সিনেমা করছে এবং যথেষ্ট সফল। তাই আবারও বলতে চাই, কষ্ট করতে তার একটা ফল একদিন না একদিন পাওয়া যাবেই।

আপনি সিনেমায় কাজ করবেন কি না?
অবশ্যই সে সুযোগ এলে সিনেমায় কাজ করব।

বর্তমানে কী কী কাজ করছেন?
বর্তমান নাটক, টেলিফিল্ম আর ওয়েবে কাজ করছি বিশেষ করে ওয়েব সিরিজ, ওয়েব ফিল্মে কাজ করছি। ছোট পর্দার প্রায় সব কাজই করছি শুধু আপাতত ধারাবাহিকে কাজ করছি না।

সামনে আপনার কোন কাজ দেখে দর্শক সবচেয়ে মজা পাবে বলে মনে করেন?
আসলে এই মুহূর্তে বলা কঠিন। কারণ অনেক কাজ করছি। তবে আমার করা কাজগুলোর যা প্রচারের অপেক্ষায় আছে তার মধ্যে টিনের চশমা এবং জাস্ট ড্যাড নাটক দুটি দেখে দর্শকরা মজা পাবেন বলে মনে করছি।

বলছিলেন ওয়েব সিরিজের কথা, ওয়েব সিরিজ কেন বেছে নিলেন?
ওয়েব বর্তমান সময়ের সবচেয়ে লেটেস্ট একটি মাধ্যম, যেখানে খুব সহজে দর্শকের কাছে পৌঁছা যায়। কারণ ওয়েব সিরিজ কিংবা ওয়েব ফিল্মগুলো দর্শকরা খুব সহজে হাতের নাগালে পাচ্ছে। ফলে অতিদ্রুত ওয়েবে প্রচারিত ফিল্মগুলো দর্শকনন্দিত হচ্ছে।

বাংলা নাটকের বর্তমান অবস্থা কেমন বলে মনে করেন?
বাংলা নাটক বর্তমান সবচেয়ে ভালো সময় পার করছে বলে মনে করি। আমি আমার কথা বলতে পারি, কলকাতাতে আমার বেশ কিছু ভক্ত আছেন যারা নিয়মিত আমাকে নক করেন, আমাকে অনুভূতি জানান। তা থেকেই আমি বুঝতে পারি, উভয় বাংলায় আমাদের নাটক এখন সমান জনপ্রিয়। তা ছাড়া ওপার বাংলার অনলাইন স্ট্রিমিং চ্যানেল হৈচৈ বাংলাদেশের আর্টিস্টদের কাছে আসছেন, তাদের চ্যানেলে নাটকের জন্য আর্টিস্ট নিতে। তাই বলা যায়, বর্তমানে আমাদের নাটক বেটার করছে।

এই যে এখন আপনি সেলিব্রেটি এনজয় করেন নাকি বিড়ম্বনা মনে হয়?
অবশ্যই এনজয় করি। আমাদের দেশের দর্শক অনেক ভালো। যখনই কোথাও অভিনয় করি তখন হয়তো তারা কাছাকাছি আসে ভিড় করে কিন্তু যখন তাদের বুঝিয়ে বলি তখন জায়গা করে দেয় শুটিং করার জন্য। তা ছাড়া দর্শকের আর বিড়ম্বনা কী! তাদের আবদার হয়তো একটা সেলফি তোলার, আমি মনে করি এটা তাদের অধিকার। আমি কাউকে বঞ্চিত করি না।

আগে থেকেই কী জানতেন মিডিয়ায় কাজ করবেন? শুরুটা কীভাবে?
না আগে ঠিক ভাবিনি যে অভিনেতা হব, তবে মিডিয়া নিয়ে পড়া বা মিডিয়ার প্রতি একটা ভালোলাগা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো কারণে মিডিয়ার বিষয়ে পড়া হয়ে ওঠেনি। বলতে গেলে আমার বাবা চাননি। আর আমার ক্যারিয়ারের শুরুটা ২০১৩-এ একটা সিরিয়াল দিয়ে। কিন্তু পরবর্তীতে বাংলালিংকের একটি টিভিসি করি। তারপর তো কাজ করেই যাচ্ছি।

দর্শকদের উদ্দেশে কিছু বলতে চান?
আপনারা আমাকে যেভাবে সাপোর্ট করে গেছেন আপনাদের কাছে তেমন সাপোর্ট ভবিষ্যতেও আশা করছি। কেবলমাত্র আপনাদের সাপোর্টই পারে আরও ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগাতে।