বিশ্বব্যাপী ১৬৫টি করোনার টিকার উন্নয়ন চলছে

ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৪ আশ্বিন ১৪২৭

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্বব্যাপী ১৬৫টি করোনার টিকার উন্নয়ন চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৪, ২০২০

print
বিশ্বব্যাপী ১৬৫টি করোনার টিকার উন্নয়ন চলছে

করোনাভাইরাসে নাকাল বিশ্ব। এ থেকে বাঁচতে একটি কার্যকর ভ্যাকসিন তৈরির জন্য গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী ১৬৫টি করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে।

এদিকে ব্রাজিলে উৎপাদিত হবে রাশিয়ার অনুমোদিত ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি। এ নিয়ে ইতোমধ্যে একটি চুক্তিও হয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত মস্কোর দূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া জানিয়েছেন, আগ্রহী দেশগুলোকে ভ্যাকসিন দিতে প্রস্তুত রয়েছে রাশিয়া।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আদানম গেব্রিয়াসুস বলেছেন, বর্তমানে ১৬৫টি টিকা নিয়ে বিশ্বব্যাপী কাজ চলছে। সেগুলোর উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা চলছে। কোনো কোনোটা সফলতার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

এর মধ্যে ছয়টি টিকা তৃতীয় ধাপে পৌঁছেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি কর্মসূচিবিষয়ক পরিচালক ডা. মাইক রায়ান টিকাকে করোনা থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় বলেও উল্লেখ করেন।

এদিকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন অনুমোদন দেয়ার পর রাশিয়া আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে এর উন্নয়ন ও উৎপাদনে সহায়তার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মস্কোর দূত।

বুধবার নিরাপত্তা পরিষদে রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, মহামারীর বিরুদ্ধে জয়ী হতে আন্তর্জাতিক সহযোগীদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে মস্কো। ১১ আগস্ট বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিন হিসেবে ‘স্পুটনিক-ভি’ অনুমোদনের ঘোষণা দেয় রাশিয়া।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, এই ভ্যাকসিন ইতোমধ্যে তার মেয়ের শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে। তবে রাশিয়ার ঘোষণার পরই ভ্যাকসিনটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে শুরু করে বিভিন্ন দেশ।

রাশিয়া বলছে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া দেশে-বিদেশে আরও হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবীর ওপর এটির পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে।

মস্কোর দূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, ইতোমধ্যে ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় ভ্যাকসিনটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ভ্যাকসিনটির উন্নয়ন ও উৎপাদনে আগ্রহী সব সহযোগীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য প্রস্তুত।

একই সঙ্গে কোভিড-১৯ এর বিস্তারের বিরুদ্ধে সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করতেও তৈরি।

ব্রাজিলে উৎপাদিত হবে রাশিয়ার ভ্যাকসিন : করোনাভাইরাসের রুশ ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি’র ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং তা তৈরি করতে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্রাজিল সরকার।

দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, প্রথমে ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হবে।

ফলাফল ভালো এলে ২০২১ সাল থেকে ব্রাজিলে এটির উৎপাদন শুরু হবে। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা পরীক্ষার জনপ্রিয় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ব্রাজিল।

বর্তমানে করোনাভাইরাসের দুটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চলছে দেশটিতে। এর মধ্যে একটি উদ্ভাবন করেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অপরটি চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক।