নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির বড় জয়

ঢাকা, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০ | ৪ মাঘ ১৪২৬

ব্রিটেনে নির্বাচন

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির বড় জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১২:০১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯

print
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির বড় জয়

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন বরিস জনসনের দল কনজারভেটিভ পার্টি। নির্বাচনে জয়ী হতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩২৬টি আসন। ইতোমধ্যেই ৬৫০টি আসনের মধ্যে ৬০০ আসনের ফলাফল হাতে এসেছে। এর মধ্যে কনসারভেটিভ দল পেয়েছে ৩৩০টি আসন এবং লেবার পার্টি পেয়েছে ১৯৬টি আসন। এতে করে ইতোমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পার করে ফেলেছে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি।

এদিকে, চলতি বছরের এই নির্বাচনে আবারও জয়ী হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রূপা হক। তিনি লন্ডনের ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে তৃতীয়বারের মতো এমপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া হ্যাম্পস্টিড ও কিলবার্নে নিজের আসনে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকী। হ্যাম এন্ড হাইয়ের খবরে এমন তথ্য জানিয়েছে।

২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছিলেন ৩৭ বছর বয়সী এই এমপি। তখন তিনি ১৪ হাজার ১৮৮ ভোটে এগিয়ে ছিলেন।

পাঁচ বছরের মধ্যে তৃতীয় দফায় সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার প্রাক্কালে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, ব্রিটিশ জনগণ কনজারভেটিভ সরকারকে নতুন ম্যান্ডেট দিয়েছেন। দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে এটা শক্তিশালী নতুন ম্যান্ডেট।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

১৯৮৭ সালের পর এটা কনজারভেটিভ দলের জন্য সবচেয়ে বড় জয় এবং ১৯৩৫ সালের পর লেবার দলের সবচেয়ে বড় পরাজয়। লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন আগামী নির্বাচনে দলের নেতৃত্বে থাকবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তিনি এখনই পদত্যাগ করছেন না। আরো কিছু সময় দলের নেতৃত্বে থাকবেন আলোচনা চালিয়ে যাবার জন্য।

এর আগে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টায় সাধারণ নির্বাচনের ভোট শেষ হয়েছে। শুক্রবার ভোট গণনা চলছে। এর মধ্যেই বিভিন্ন আসনের ফলাফল আসতে শুরু করেছে। ব্রিটেনের স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যে প্রায় ১০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ডিসেম্বর মাসে ভোট হলো। যুক্তরাজ্যে প্রতি চার বা পাঁচ বছর পর ভোট অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু গত পাঁচ বছরে এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালের ৮ জুন এবং ২০১৫ সালে ৭ মে ভোট হয়েছে। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম শীতকালে এবং ১৯২৩ সালের পর প্রথমবার ডিসেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।