চাপ বাড়ছে সু চির

ঢাকা, রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২ | ১৭ আশ্বিন ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

চাপ বাড়ছে সু চির

ডেস্ক রিপোর্ট
🕐 ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯

চাপ বাড়ছে সু চির

বাংলাদেশে উদ্বাস্তু হিসেবে থাকা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে মিয়ানমারের বক্তব্যকে ‘ভুয়া’ বলে অভিহিত করেছে গাম্বিয়া। নেদারল্যান্ডসের হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) যুক্তি উপস্থাপনের সময় গাম্বিয়ার আইনজীবী রাইখলার এ কথা বলেন। শুনানিতে এজলাসে মুখ শুকনো করে বসে ছিলেন মিয়ানমারের ডিফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চি। তাকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি খুব চাপে আছেন।

রাইখলার বলেন, মিয়ানমার নিজেই স্বীকার করেছে যে, খুব সামান্য সংখ্যায় উদ্বাস্তু ফিরেছে। মিয়ানমারের আইনজীবী ওকোয়া প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ এবং চীন, জাপান ও ভারতের সহায়তার বিষয়টিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। এ দেশগুলো প্রত্যাবাসন চায়। কিন্তু প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব মিয়ানমারের। 

মিয়ানমার সেটি পালনে ব্যর্থ হয়েছে। অং সান সু চি আদালতে রোহিঙ্গা বিশেষণটি ব্যবহার করেননি। তিনি তাদের ‘মুসলিম’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার তৃতীয় দিনের শুনানিতে তিনি এ কথা বলেন। আদালতের প্রেসিডেন্ট ইউসুফের নেতৃত্বে আদালতের শুনানি শুরু হয়।

কোনো প্রাণহানি ও নৃশংসতায় গণহত্যার উদ্দেশ্যপ্রমাণিত হয়নি দাবি করে মিয়ানমারের আইনজীবীরা গাম্বিয়ার আবেদন খারিজ করা উচিত বলে আদালতে বক্তব্য দেন। গাম্বিয়ার আইনজীবীরা গতকাল মিয়ানমারের যুক্তিগুলো খণ্ডন করে তাদের আবেদনের পক্ষে সমাপনী বক্তব্য দেন। বিকাল সাড়ে ৪টায় গাম্বিয়ার বক্তব্য উপস্থাপন শেষ হয়েছে। এরপর রাত সাড়ে ১০টায় মিয়ানমার তাদের যুক্তিতর্ক তুলে ধরে।

পল রাইখলার বলেন, প্রথমত মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের প্রতি আচরণে গণহত্যার উদ্দেশ্য অস্বীকার করেছে। দ্বিতীয়ত, গণহত্যার উদ্দেশ্য অনুমান করা হলেও তার ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী আদেশ দেওয়া যায় না। মিয়ানমারের আইনজীবী অধ্যাপক সাবাস গণহত্যার উদ্দেশ্য প্রমাণের জন্য সাতটি নির্দেশকের কথা বলেছেন। সেই নির্দেশকগুলোর কথা গাম্বিয়ার আবেদনে রয়েছে এবং মিয়ানমার সেগুলো অস্বীকার করেনি।

এদিকে মার্কিন সিনেটে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট পার্টির ১০ সদস্য সু চির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, নিজের যেটুকু ভাবমূর্তি আছে সেটাও ঝুঁকিতে ফেলছেন সু চি।

 
Electronic Paper