বিক্ষোভে উত্তাল লন্ডনের রাজপথ

ঢাকা, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

বিক্ষোভে উত্তাল লন্ডনের রাজপথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০১৯

print
বিক্ষোভে উত্তাল লন্ডনের রাজপথ

ব্রেক্সিট ইস্যুতে ফের গণভোটের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে লন্ডনের রাজপথ। শনিবার দ্বিতীয় গণভোটের দাবিতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ জড়ো হয় এ প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে।

শনিবার বিকালে পার্ক লেন থেকে পার্লামেন্ট স্কয়ার অভিমুখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন আন্দোলনকারীরা। একইদিন যুক্তরাজ্যের কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের খসড়া ব্রেক্সিট চুক্তি পেছানোর পক্ষে রায় দেয় দেশটির পার্লামেন্ট। এমপিদের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান বিক্ষোভকারীরা। পার্লামেন্টের বাইরে তারা স্লোগান তোলেন, আমাদের কথা শুনতে হবে, জনগণের আওয়াজ শুনতে হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ব্রিটিশ ইতিহাসে জনগণের বৃহত্তম বিক্ষোভেরে একটি মনে করা হতে পারে। বিক্ষোভে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের দাবি, ব্রেক্সিট ইস্যুতে তারা চূড়ান্ত বা শেষ কথা বলতে চান। দ্বিতীয় গণভোট আয়োজনের মাধ্যমে তাদের সেই সুযোগ দিতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান, ছায়া ব্রেক্সিটমন্ত্রী স্যার কেইর স্টার্মার, ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়ানে অ্যাবট, ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমিলি এমিলি থর্নবেরি, ছায়া চ্যান্সেলর জন ম্যাকডনেল প্রমুখ।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা দ্বিতীয় গণভোটের দাবি জানিয়ে নানা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। এসব ব্যানারে লেখা ছিল, স্টপ ব্রেক্সিট, টুগেদার ফর দ্য ফাইনাল সে, রিমেইন ইজ দ্য অনলি সেইন অপশন, টোরিস অ্যাগেইনস্ট ব্রেক্সিট, লেবার স্টুডেন্টস ডিমান্ড আ পিপলস ভোট ইত্যাদি।

প্রসঙ্গত, ব্রেক্সিট ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়ে চলতি বছরের গত মে মাসে পদত্যাগের ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তিনি সরে দাঁড়ানোর পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী কনজারভেটিভ নেতা বরিস জনসন। নির্বাচিত হওয়ার পর আগামী ৩১ অক্টোবর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন তিনি। প্রয়োজনে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটেরও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন তিনি। তবে দীর্ঘ আলোচনা আর নানা নাটকীয়তার পর গত ১৭ অক্টোবর চুক্তির ব্যাপারে ইইউ-এর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছায় বরিস জনসনের সরকার। শনিবার এ চুক্তি বা সমঝোতা পেছানোর পক্ষে রায় দেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। সূত্র: বিবিসি।