কাশ্মীর ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করল বাংলাদেশ

ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

কাশ্মীর ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ১:২৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০১৯

print
কাশ্মীর ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করল বাংলাদেশ

৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনসহ বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা প্রত্যাহারের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কাশ্মীর ইস্যু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বুধবার (২১ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক্সটার্নাল পাবলিসিটি উইংস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা গত ৫ আগস্ট বাতিল করে ভারত সরকার। ওই ধারা বাতিল করার ১৬ দিন পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলো।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার বিভাগের সহকারী সচিব মো. মাসুদ পারভেজ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মনে করে, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশ নীতিগতভাবে সবসময়ই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এ অঞ্চলের সব দেশের জন্য অগ্রাধিকার।

ভারতের সংবিধানে ৩৭০ ধারার আওতায় জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছিল। ৩৭০ ধারা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৭ অক্টোবর। এ ধারার আওতায় জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতীয় সংবিধানের আওতামুক্ত রাখা হয় (অনুচ্ছেদ ১ ব্যতিরেকে) এবং ওই রাজ্যকে নিজস্ব সংবিধানের খসড়া তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়।

৩৭০ ধারা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, অর্থ এবং যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে জম্মু-কাশ্মিরে হস্তক্ষেপের অধিকার ছিল না ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের। এমনকি কোনো আইন প্রণয়নের অধিকার ছিল না কেন্দ্র বা সংসদেরও। আইন প্রণয়ন করতে হলে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের সম্মতি নিতে হত।

গত সোমবার রাতে তিনদিনের সফরে ঢাকা আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আজ বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর ঢাকা সফর শেষে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল বাংলাদেশ।