চীনে উইঘুর ‘বন্দি শিবির’ বন্ধের দাবি তুরস্কের

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৫

চীনে উইঘুর ‘বন্দি শিবির’ বন্ধের দাবি তুরস্কের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ২:৩১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯

print
চীনে উইঘুর ‘বন্দি শিবির’ বন্ধের দাবি তুরস্কের

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে দেশটির সংখ্যালঘু মুসলিম উইঘুরদের জন্য স্থাপিত ‘বন্দি শিবির’ বন্ধের দাবি জানিয়েছে তুরস্ক। এসব বন্দি শিবিরে উইঘুর সম্প্রদায়ের অসংখ্য ব্যক্তি আটক রয়েছেন বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী। সম্প্রতি এক প্রখ্যাত উইঘুর সংগীতশিল্পীর মৃত্যুর ঘটনার পর এ দাবি জানালো আঙ্কারা।

বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আবদুরহিম হেইত নামের ওই শিল্পী বন্দি শিবিরে আট বছরের সাজা ভোগ করছিলেন। সম্প্রতি তিনি মারা যান।
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’ বন্দিদের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। তবে চীন বলছে, ওইসব ক্যাম্পে উইঘুর মুসলমানদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে সমাজের মূল ধারায় নেওয়ায় প্রক্রিয়া চলছে।

হামি আকসির নামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই মুখপাত্র বিবৃতিতে বলেন, ‘এটা আর কোনো গোপন বিষয় নয়, দশ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলিমকে অবৈধভাবে ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’ আটকে রাখা হয়েছে। এসব বন্দিকে নির্যাতন করে রাজনৈতিকভাবে মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে এসব ক্যাম্প বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে তুরস্ক।’

একুশ শতকে এসে এ ধরনের ঘটনা অমানবিক মন্তব্য করে ওই তুর্কি মুখপাত্র আরও বলেন, শিল্পী আবদুরহিম হেইতের মৃত্যুর ঘটনা জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপারে তুরস্কের জনগণের মধ্যে প্রবল ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তুরস্ক এ ব্যাপারে জাতিসংঘ মহাসচিবের পদক্ষেপ আশা করে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চীনের এই বন্দি শিবির নিয়ে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও যথাযথ তথ্যপ্রমাণসহ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কিন্তু কোনো কিছুতেই পাত্তা দিচ্ছে না বেইজিং।