স্মৃতিশক্তি বাড়াতে

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ | ৭ কার্তিক ১৪২৫

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে

স্বাস্থ্য কুশল ডেস্ক ১:৫৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০৯, ২০১৮

print
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে

আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতিশক্তি আর আগের মতো তীক্ষ্ণ থাকে না। তবে আমরা কিছু অনুশীলনের মাধ্যমে আমাদের স্মৃতিশক্তির প্রখরতা ধরে রাখতে পারি। আসুন দেখে নিই কী কী উপায়ে আমরা আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারি।

সঙ্গীত : সুরের মাধ্যমে মস্তিষ্ক জেগে ওঠে। এর ফলে মেধা বাড়ে। সঙ্গীত যে মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করতে পারে, তার প্রমাণ রয়েছে। কেউ গান শোনার সময় যদি তার মস্তিষ্কের ছবি তোলা যায়, তাহলে দেখা যাবে পুরো মস্তিষ্ক সুরের প্রভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মস্তিষ্ক সঙ্গীতের স্মৃতি দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারে। এটি ডিমেনশিয়ার মতো মানসিক অবস্থা ঠেকাতে বেশ কার্যকরী। আপনি চাইলে গানের দলে যোগ দিতে পারেন অথবা আপনার প্রিয় ব্যান্ডের গানের অনুষ্ঠান দেখতে যেতে পারেন।

বিছানায় শুয়ে পরীক্ষার পড়া : বিজ্ঞানীরা বলেছেন, বিছানার ওপর শুয়ে-বসে পড়ার সুফল রয়েছে। দিনের বেলা আপনি যখন নতুন কিছু শিখছেন, তখন আপনার মস্তিষ্কে এক স্নায়ু কোষের সঙ্গে নতুন একটি স্নায়ু কোষের সংযোগ তৈরি হয়। আপনি যখন ঘুমিয়ে পড়েন তখন সেই সংযোগ আরও জোরদার হয় এবং যা শিখেছেন তা স্মৃতি হিসেবে জমা হয়।

এক পরীক্ষায় জানা যায়, আপনি যদি শোবার আগে কাউকে একটা লিস্ট দিয়ে বলেন সেটা মুখস্থ করতে, তাহলে পরদিন সকালে সে সেটা খুব সহজেই মনে করতে পারবে। কিন্তু যদি সেই একই লিস্ট সকাল বেলা দিয়ে বলেন সন্ধ্যার সময় মুখস্থ বলতে তাহলে সেটা মনে করা বেশ কঠিন হবে। তবে কোনো দুঃখের স্মৃতি নিয়ে শোবার সময় চিন্তাভাবনা না করাই ভালো। এতে মস্তিষ্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। পরীক্ষার পড়ার সময় প্রশ্নের জবাবগুলো শোবার সময় মনে করার চেষ্টা করুন এবং চেষ্টা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ুন।

ঘুম : দৈনিক পাঁচ ঘণ্টার কম ঘুম হলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর ১০ ঘণ্টার বেশি ঘুম হলে মস্তিষ্ক সজাগ হওয়ার সময় পায় না। কিন্তু দিনের পুরোটাকে ভালোভাবে কাজে লাগানোর চাবিকাঠি লুকিয়ে রয়েছে কীভাবে আপনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন তার মধ্যে। সবচেয়ে ভালো হয় ঘুমাতে যাওয়ার সময় ঘর অন্ধকার থাকলে এবং প্রভাতে দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেগে উঠতে পারলে।

কারণ সূর্যের কিরণ যখন আপনার বন্ধ চোখের পাতা ভেদ করে ঢুকে পড়ে, তখন তা মস্তিষ্ককে কর্টিসল হরমোন ছড়িয়ে দিতে উদ্বুদ্ধ করে। এর ফলে আপনি জেগে ওঠেন। তাই কী পরিমাণ কর্টিসল হরমোন আপনার দেহে ছড়িয়ে পড়ে, তার ওপর নির্ভর করবে দিনটা আপনার কেমন যাবে।

 
.