নতুন ছয় মেডিকেল নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান

ঢাকা, সোমবার, ১ মার্চ ২০২১ | ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭

নতুন ছয় মেডিকেল নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান

ভবন ছাড়াই চলছে ক্লাস, সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২১

print
নতুন ছয় মেডিকেল নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ও দক্ষ ডাক্তার তৈরির উদ্দেশ্যে দেশে আরও ছয়টি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। হবিগঞ্জ, নওগাঁ, নেত্রকোণা, নীলফামারী, রাঙামাটি ও মাগুরা জেলায় এ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলো হচ্ছে। মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর এস্টাবলিশমেন্ট অব সিক্স মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালস’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) মো. সাইদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে নতুন করে আরও ছয়টি মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ স্থাপন করা হচ্ছে। বর্তমানে এখানে ক্লাস হচ্ছে একাডেমিক ভবন ছাড়াই। মূল প্রকল্প নেওয়ার আগে আমরা একটা সমীক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। সমীক্ষা প্রকল্পের আওতায় আমরা মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করব। একাডেমিক ভবনসহ সব কিছুই থাকবে মাস্টারপ্ল্যানে। তবে দেশের কৃষিভূমি সাশ্রয়ে এগুলো ২৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ একর জমির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

সূত্র জানায়, ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে ছয়টি কলেজে নিজস্ব প্রচেষ্টায় একাডেমিক কার্যক্রম চলমান। তবে ভবন নেই বলা চলে। মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে ছয়টি আলাদা প্রকল্প নেওয়া হবে। সম্ভাব্য সমীক্ষাসহ অন্যান্য প্রতিবেদনসমূহ প্রণয়নের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

জানা গেছে, ছয়টি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য জমির পরিমাণ কমবেশি ২৫ একরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান কোন এলাকায় অবস্থিত, মূল সড়কের সঙ্গে সংযোগের বর্ণনা, সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসি অফিস এবং সিভিল সার্জন অফিস থেকে দূরত্ব- ইত্যাদি তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন ও মাস্টারপ্ল্যানে উল্লেখ থাকবে বলে জানায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।