শীতার্তদের পাশে এইচআর ক্লাব

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১ | ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭

শীতার্তদের পাশে এইচআর ক্লাব

রুমান হাফিজ ১:৫৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০২১

print
শীতার্তদের পাশে এইচআর ক্লাব

‘ভালোবাসার উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ুক সকল প্রাণে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সিইউ এইচ আর ক্লাবের’ উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। সংগঠনের গ্রীন অ্যান্ড কমিউনিটি সার্ভিস উইং এর তত্ত্বাবধানে এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিমের পরিচালনায়, ‘আলোর ফাঁড়ি’ শিরোনামে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৬০০ পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয় প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র ও শুকনো খাদ্যদ্রব্য। সংগঠনের সকল ছাত্র-ছাত্রী ১৩ জানুয়ারি থেকে সাহায্য সংগ্রহ এবং একত্রীকরণ শুরু করেন। প্রায় ৬০০ পরিবারের জন্য ঈটঐজঈ বস্ত্র সংগ্রহ করেছেন এবং ব্যবস্থা করেছেন চাল, ডাল, আটা, লবণ, পেঁয়াজের মত বেশকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনো খাদ্য সামগ্রী এবং এর সঙ্গে রাতে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। শীতবস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণের পাশাপাশি সিইউ এইচ আর ক্লাব হাটহাজারী সংলগ্ন ‘শাহ মুনিরিয়া মঈনিয়া এতিমখানা ও হেফজখানা’র বাচ্চাদের খাবার পৌঁছে দিয়েছেন এবং নগদ অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে অভাবি মানুষদের জন্য সাহায্য দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন ক্লাবটির তরুণ শিক্ষার্থীরা।

গত ১৬ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্লাবের একদল প্রাণবন্ত সদস্য নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে অভাবগ্রস্ত এলাকায় সাহায্য নিয়ে যান। বিশ্ববিদ্যালয়ের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও সিইউ এইচ আর ক্লাবের মডারেটর ড. মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, “সিইউ এইচ আর ক্লাব কর্তৃক গৃহীত ‘আলোর ফাঁড়ি’ নিঃসন্দেহেই একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। যা হাসি ফুটাতে পেরেছে চট্টগ্রামের বেশ কিছু মানুষের মুখে। সিইউ এইচ আর ক্লাব অতীতেও মানবতার সেবায় কাজ করেছে। বর্তমানে ছাত্রদের মধ্যে মানবিকতার বিষয়টি সৃষ্টি করা অত্যন্ত দরকার। আর এই লক্ষ্যেই সিইউ এইচ আর ক্লাব দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করার তাগিদ থেকেই এই ধরনের সমাজকল্যাণমূলক কাজ হাতে নিয়েছে এবং এই ধারা সামনেও অব্যাহত থাকবে।

ক্লাবের প্রেসিডেন্ট নিজাম উদ্দীন খান বলেন, প্রতিবছরের মতো এবার সিইউ এইচ আর ক্লাবের (ঈটঐজঈ) সামাজিক উদ্যোগ ‘আলোর ফাঁড়ি’। অভাব অনটনে জর্জরিত কিছু মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি আমাদের ক্লাবের সদস্যদের সংগ্রহ করা সাহায্য অভাবগ্রস্ত মানুষগুলোর কাছে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়ার।