প্রাণের ক্যাম্পাসে আমরা

ঢাকা, শুক্রবার, ৫ মার্চ ২০২১ | ২১ ফাল্গুন ১৪২৭

প্রাণের ক্যাম্পাসে আমরা

রেজাউল ইসলাম রেজা ৪:৫৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০২০

print
প্রাণের ক্যাম্পাসে আমরা

ফিরে গিয়েছিলাম প্রাণের ক্যাম্পাসে। দীর্ঘ আট মাস পরে দেখা হয়েছিল পবিপ্রবি নামক মুগ্ধতার সঙ্গে। দেখা হয়েছিল প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে। যাদের সঙ্গে কাটিয়েছি দীর্ঘ চারটি বছর। শত শত অজানা গল্পের মাঝেও মুঠোবন্দি করেছি ভালোলাগার স্মৃতিগুলো।

দম বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত যার পীড়া সহ্য করতে হবে। সে অনুভূতিগুলো বড় মূলবান। যার ছোঁয়ায় জীবন সমুদ্রে ভাসিয়েছি তরী। ভাগাভাগি করেছি সব সুখ, দুঃখ। সেদিন হয়তো অপেক্ষার অবসান হয়েছিল, তবে সেই সঙ্গে বুকে জেগেছিল সাম্রাজ্য ছেড়ে যাওয়ার শঙ্কা।

তবুও জমাট বাঁধা ভালোবাসারা উপচে পড়ছিল হৃদয় নামক সমুদ্রে। বাস্তবে দূর থেকে পর্বতের বিশালতাকে দেখা গেলেও এই ভালোবাসার পর্বত একটু আলাদা। যা কেবল আবেগ নামক অদ্ভুত বন্ধনেই সীমাবদ্ধ।

সময়ের পরিক্রমায় আজ আমরা বড় হয়েছি। দীর্ঘ চার বছরের বেঁধে দেওয়া সময় শেষে, আমাদেরও যে চলে যেতে হবে। ছেড়ে দিতে হবে স্থান। সময়ের আবর্তনে প্রত্যেককেই চলে যেতে হয়। জানি এই চলে যাওয়া মানেই যে প্রস্থান নয়। সাময়িক বিদায়ের ঘণ্টা হয়তো দূরত্বকে বাড়িয়ে দেবে। তবে হৃদস্পন্দন থেকে কিভাবে আলাদা করবে! স্বপ্নকে তাড়া করে একদিন এসেছিলাম এ শহরে।

নিজের পরিবারকে ছেড়ে আসলেও পেয়েছিলাম নতুন এক পরিবার। যাদের ভালোবাসায় প্রতিটি মুহূর্তে যেন স্বর্গের উপস্থিতি। তবুও সময়ের আহবানে মিলিয়ে যায় সব। দিবালোকের শেষে সন্ধ্যা আসে, একটু একটু করে অন্ধকারে আবৃত হয় এ শহর। আবারও ভোরের আলো আসে, আসে সন্ধ্যা, আসে রাত।

জীবন নামক এই গল্পের বইয়ে প্রচ্ছদের অনেকটা জুড়ে থাকবে বন্ধু নামক প্রিয় মানুষগুলোর মুখ। মধুর স্মৃতিতে ভরে উঠবে প্রতিটি পৃষ্ঠা। এ যে কলমের কালি নয় বরং অদৃশ্য আলোর ঝলকানি যেন হৃদয়ে বাঁধবে বারুদের বাসা। জীবন নামের এই বইয়ে আবারও জন্ম হবে নতুন কোনো অধ্যায়ের। নতুন কোনো আবেগের।