প্রস্তুতির সাত টিপস

ঢাকা, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১১ আশ্বিন ১৪২৭

পরীক্ষা!

প্রস্তুতির সাত টিপস

আরিফ হোসেন ১:২৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৬, ২০২০

print
প্রস্তুতির সাত টিপস

১. নিজেকে যথেষ্ট সময় দাও
পড়াশোনা এক্সামের আগের দিনের জন্য জমিয়ে রেখো না। কম পড়ো, বাট রেগুলার পড়ো। অনেকে দেখা যায় পরীক্ষার হলে প্রবেশের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত পড়াশোনা করে। অথচ যখন হাতে প্রচুর সময় ছিলো তখন তারা অলস সময় কাটিয়েছে। ভালো এক্সাম দিতে হলে প্রথমে নিজেকে প্রিপারেশনের জন্য যথেষ্ট সময় দেয়াটা জরুরি।

২. পড়ার টেবিলের বিন্যাস
তোমার স্টাডিতে স্টাডি স্পেসটারও ভূমিকা বিশাল। গুছানো টেবিল, বই-খাতা মেলে রাখার জন্য এনাফ স্পেস। চেয়ারে বসতে আনকমফোর্ট ফিল হচ্ছে কিনা, পর্যাপ্ত আলো পাচ্ছো কিনা, এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। নিজেকে সকল প্রকার ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করবে। নিজের কমফোর্টেনেস নিশ্চিত করবে। যাতে পড়ায় পূর্ণ কনসেন্ট্রেশন রাখতে কোন বাঁধা না থাকে।
৩. শর্টনোট, ফ্লো চার্ট, ডায়াগ্রাম ইত্যাদির ব্যবহার
এই জিনিসগুলো তোমাকে রিভিশন দিতে হেল্প করবে। একটি টপিক পড়ে তুমি কী শিখলে সেটা সংক্ষেপে লিখে রাখার চেষ্টা করো। এক্ষেত্রে হাতে লেখা ফ্লো চার্ট বা ডায়াগ্রামও ফলদায়ক।
এক্সামের আগে এই জিনিসগুলো তোমাকে টপিকটা সহজে মনে করতে সাহায্য করবে।
৪. প্রিভিয়াজ কুয়েশ্চনের প্রেকটিস
এক্সাম প্রিপারেশনের অন্যতম একটি কার্যকর পদ্ধতি। প্রেকটিস তোমার বেইস মজবুত করবে। এক্সামের সাথে তোমাকে অভ্যস্ত করতে সাহায্য করবে।
৫. অন্যের কাছে ব্যাখ্যা করো
একটা টপিক পড়ে তুমি কী বুঝেছো সেটা অন্যের কাছে ব্যাখ্যা করো। অন্যকে টপিকটা বুঝাও। বাসায় ছোটভাই, বোনের হেল্প নাও। ট্রাস্ট মি, এই ট্রিকস ফলো করলে যেকোন টপিক তোমার জন্য ভুলে যাওয়া কষ্টকর হবে।
৬. স্টাডি গ্রুপ
বন্ধুদের সাথে গ্রুপ স্টাডি করো। গ্রুপ স্টাডিতে আড্ডা হয়, খুনসুটিও হয়, কিন্তু যে টপিকগুলো শিখা হয়, সেগুলো শিখার মতোই হয়। তুমি একটা টপিক পড়ে যা বুঝবে, তোমার বন্ধুর চেয়ে একটু হলেও ডিফারেন্ট কিছু বুঝবে। গ্রুপ স্টাডি তোমাদের বোঝার এই গ্যাপটা দূর করে দেবে।
৭. নিয়মিত এবং পরিমিত বিশ্রাম
গাধা চব্বিশ ঘন্টা খেটে মরে। চালাকদের কাজ ঝোপ বুঝে কোপ মারা। সুস্থ দেহ এবং সতেজ মন না থাকলে তোমার দৈনিক আটারো ঘন্টার পড়াশোনা কাজে নাও লাগতে পারে।
এজন্য স্বাস্থ্যকর খাওয়া দাওয়া, পরিমিত ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়াটা জরুরি।
পুরো দিনের একটা রুটিন করে নেয়া জরুরি। এবং রুটিন অবশ্যই অন্যেরটা ফলো না করে নিজে বানাবে। কারণ তোমার সুবিধা অসুবিধা তোমার চেয়ে ভালো কেউ বুঝবে না।