মানুষের পাশে বাকৃবি হাসিমুখের সদস্যরা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২০ | ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭

মানুষের পাশে বাকৃবি হাসিমুখের সদস্যরা

হাবিবুর রনি ১২:২৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২০

print
মানুষের পাশে বাকৃবি হাসিমুখের সদস্যরা

করোনায় অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছে সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হাসিমুখ’। ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অসহায় ও বঞ্চিতদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত এ সংগঠনটি। সংগঠটিতে বর্তমানে মোট ১৮০ সদস্য স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে রয়েছে।

করোনার শুরুতে লকডাউনের কারণে দেশের দরিদ্র ও অসহায় মানুষেরা যখন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, ঠিক সেই সময়ই তারা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ৩০ মার্চ ‘করোনা সংকট মোকাবেলায় অসহায় মানুষের পাশে হাসিমুখ’ নামক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ইভেন্ট চালু করে তারা। ফেসবুকে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে তারা ঢাকা, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও কুষ্টিয়ায় মোট ১৫০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী

বিতরণ করে। এছাড়াও সেসময় তারা বাকৃবির ৯জন গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে অর্থ সহায়তা প্রদান করে। এখানেই থেমে ছিল না তারা।

পরবর্তীতে রমজান মাসে করোনার প্রভাবে যখন গরীব-দুঃখী মানুষের অভাব-অনটন বেড়ে যায়, তখন তারা নতুন কিছু করার পরিকল্পনা করে। সেই সাথে যেসকল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী টিউশনি করে সংসারের খরচ যোগাতো তাদের কথা মাথায় রেখে কিছু করার তাড়না অনুভব করে সংগঠনটির সদস্যরা। কিন্তু মাত্র ২০ দিন আগেই ত্রাণবিতরণ কার্যক্রম শেষ করার পর একই রকম আরেকটি কার্যক্রম হাতে নিয়ে কতটুকু তারা সফল হবে এ নিয়ে ছিল সংশয়।

শেষ পর্যন্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তীব্র আকাঙ্খা নিয়ে অনেকটা সাহস করে গত ১ মে আবারও নতুন কার্যক্রম হাতে নেয় সংগঠনটি। সংগঠনটির সদস্যরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে অর্থ সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে যায়। বাকৃবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সাধ্যমতো নিজেদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। সংগঠটির সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন বলেন, এরকম উদ্যোগ গ্রহণ করাসহ বাস্তবায়ন করার পিছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে হাসিমুখের একঝাঁক পরিশ্রমী সদস্য। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এতে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে।