কোয়ারেন্টাইন যখন পরীক্ষার হল

ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২০ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

কোয়ারেন্টাইন যখন পরীক্ষার হল

ওয়াসিফ রিয়াদ ১১:৪৮ অপরাহ্ণ, মে ০৯, ২০২০

print
কোয়ারেন্টাইন যখন পরীক্ষার হল

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে নিস্তব্ধ পৃথিবী। সারা দেশ এখন লকডাউন। এমতাবস্থায় দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। লম্বা ছুটিতে পড়াশোনা বিঘিœত হবার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটে উঠেছে বিরক্তির ছাপ।

শিক্ষার্থীদের বিরক্তি কমিয়ে পড়াশোনার মধ্যে যুক্ত রাখার অন্যতম উপায় হলো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। হ্যাঁ, বলছিলাম অনলাইনে প্রতিযোগিতার কথা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমনটি আয়োজন করেছে ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনসাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি’ (সিসিএস) এর যুব শাখা, তরুণ ভোক্তাদের সংগঠন ‘কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ’ (সিওয়াইবি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

পাঁচটি ইভেন্টে দীর্ঘ একমাস ব্যাপী এই প্রতিযোগিতার শুরু হবে চলতি মাসেই। প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক’শ শিক্ষার্থী। প্রত্যেকটি ইভেন্টে থেকে সর্বোচ্চ নম্বরধারী তিন জনকে দেয়া হবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।

শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় যে ইভেন্টগুলোতে অংশ নিবে- প্রথমত কুইজ ‘ভোক্তা আইন-২০০৯’ এর ওপর ভিত্তি করে প্রশ্ন থাকবে। দ্বিতীয়ত বুক রিভিও, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী সম্পর্কিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী, আবুল মনসুর আহমদের ‘আয়না’, আহমদ ছফার ‘মরণ বিলাস’ এবং লুসিয়াস আন্নাইউস সেনেকার ‘অন দ্যা শর্টনেস অব লাইফ’ বইগুলোর যে কোন একটির রিভিউ। তৃতীয়ত কবিতা, ছোটগল্প অথবা প্রবন্ধ, যা স্বরচিত এবং অনধিক দুই হাজার শব্দের হবে। চতুর্থত পাবলিক স্পিকিং। বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমসাময়িক বিষয়াবলির ওপর গ্রুপভিত্তিক আলাদা অন্তত চার মিনিটের বক্তব্য দিতে হবে। পঞ্চমত অনলাইন গেইমস।

অনলাইন লুডো খেলা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে ৪ জন একসাথে একটি গ্রুপে খেলবে। যা নক আউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রথম বর্ষের শারমিন ও প্রিতম মন্তব্য করেন, ক্যাম্পাস থাকাকালীন ক্লাস-পরীক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের সাথে যুক্ত ছিলাম।

দীর্ঘ ছুটিতে বাড়িতে অবস্থান করায় একটু ঝিমিয়ে পড়েছি। কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন অনলাইনে প্রতিযোগিতার উদ্যোগটি মন্দ নয়।
সিওয়াইবি রাবি শাখার সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় অনেকেই মূল্যবান সময় অপচয় করছে।

শিক্ষার্থীদের সময়গুলোকে যাতে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা অনলাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি।