বাকৃবির কৃষি অনুষদ

ঢাকা, সোমবার, ১ জুন ২০২০ | ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

বাকৃবির কৃষি অনুষদ

তানিউল করিম জীম ৭:৩৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৮, ২০২০

print
বাকৃবির কৃষি অনুষদ

একজন শিক্ষার্থীর কাছে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পরম ভালোবাসার জায়গা। একটি পরিবার। যে পরিবারটি ছোট-বড় সবাইকে আপন করে নিয়ে এক সাথে চলে। গল্পটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ পরিবারের। পরিবারটি অনুষদের সকল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত। পরিবারটির সবার মাঝে আছে একে অপরের প্রতি ভালবাসা ও সহযোগীতা আছে আন্তরিকতাও। পরিবারের নতুন সদস্যদের আপন করে নিতে প্রতি বছর পালন করা হয় আনন্দঘন একটি দিন। এ দিনটির নাম দেওয়া হয়েছে এইটি ফিস্ট।

 

এ অনুষদে প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অনুষদের থেকে কম শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। কম সদস্য হওয়ায় আমরা সবাই একটি পরিবার হিসেবেই পরিচিত হয়। প্রত্যেকে প্রত্যেককে কম বেশি জানে। অনেকটা জয়েন্ট ফ্যামিলির মতো। সবার প্রতি সবার যে সহযোগীতার মনোভাব তৈরি হয় তা কোনো অংশে একটা পরিবারের থেকে কম নয়। বসন্তের শেষে কোনো এক বিকেলে তাই আয়োজন করা হয় পরিবারের সদস্যদের মিলন মেলার।

মিলন মেলা একদিনের হলেও তার আয়োজন করা হয় ২ সপ্তাহের বেশি দিনধরে প্রস্তুতি নিয়ে। কতো সুন্দরভাবে আমরা আমাদের পরিবারকে সবার কাছে তুলে ধরতে পারি তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। থাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের পর্ব। নাচ, গান, নাটক, কবিতা পাঠ কোনো কিছুর যেন কমতি থাকে না সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায়। তাই অংশ নেওয়া সবাই তাদের সেরাটা দেওয়ার জন্য নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে।

সারাদিন ক্লাস করে অনুষদেই সবাই মিলে এ অনুশীলন করে নিজেদের প্রস্তুত করে পারফরমাররা। স্টেজটি সাজানো হয় একদম গ্রামীণ পরিবেশে। কৃষকের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয় বাংলার কৃষি। এইটি ফিস্টের দিন ভোর থেকেই শুরু হয় তোড়জোড়।

সবাই নিজেদেরকে নতুনরূপে প্রস্তুত করতে ব্যস্ত। সকালে হয় পরিচয় পর্ব ও নবীনদের বরণ। দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের।

নতুন সাজে ছোট-বড় সবাইকে এক ফ্রেমে বন্দি করে ফটোগ্রাফার রাকিন। এদিকে সবাই ব্যস্ত থাকে একে অপরের সাথে আড্ডা-খোশগল্পে।