নারিকেল জিঞ্জিরায় কুবির শিক্ষার্থীরা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০ | ১৯ চৈত্র ১৪২৬

নারিকেল জিঞ্জিরায় কুবির শিক্ষার্থীরা

এবিএস ফরহাদ ২:২৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ২২, ২০২০

print
নারিকেল জিঞ্জিরায় কুবির শিক্ষার্থীরা

সুবিশাল নীলজল রাশি, যতদূর চোখ যায় পানি আর যেথায় মিশেছে আকাশের নীল আর সমুদ্রের বিশাল নীল জলরাশি। দ্বীপজুড়ে সমুদ্র, সারি সারি নারিকেল গাছ, তীরে বাঁধানো নৌকা, মাঝিরা ডাকছে সমুদ্রে ঘুরতে নিবেন বলে, আর যেন প্রবাল পাথরের দেশ। সৃষ্টিকর্তা যেন নিজ হাতে সাজিয়েছে দ্বীপটি। প্রকৃতি যেন তার অপরূপ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে বুক উঁচিয়ৈ দাঁড়িয়ে আছে।

কথা হচ্ছিল বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ নারিকেল জিঞ্জিরাখ্যাত সেন্টমার্টিন দ্বীপের কথা। সেদিনের সময়টা ছিল ২৭ ফেব্রয়ারি। মধ্যরাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা জড়ো হয় ক্যাম্পাসে। পূর্বে থেকে তিনটি বাস অপেক্ষায় ছিল। অতঃপর বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে টেকনাফের উদ্দেশ্যে বাস যাত্রা শুরু হয় রাত ১১টায়। ভোরের মৃদু আলোয় ঘুম ভাঙে সবার।

সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে জাহাজে ভ্রমণ শুরু হয়। যতদূর দু’চোখ যায় সবুজ পাহাড়, শুভ্র মেঘ, বালুকা রাশি, ঝাউ বাগান, বিশাল জলরাশি। জাহাজ ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জাহাজের পিছু নেয় সাদা গাঙচিল। পাখি দেখে জাহাজ যাত্রীরা এগিয়ে যায় জাহাজের করিডোরে। বহুদূর এগিয়ে গিয়ে নিজ নীড়ে ফিরে যায় এসব পাখি। জাহাজ থেকে সবাই উপভোগ করে কোলজুড়ে যৌবনের নাফ নদী, বাংলাদেশ-মায়ানমারের পাহাড়, এপারের তীর জুড়ে ছোট ম্যানগ্রোভ বন, তারুণ্যদীপ্ত সবুজপাহাড়, টেকনাফ সৈকত আরো কত কি!

বালুময় সৈকত, প্রবালের প্রাচীর আর গাছের সারি এই দ্বীপকে দিয়েছে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য। পরেরদিন ভোরে সাইকেল চালিয়ে যাই ছেঁড়াদ্বীপ।