সাফল্যের ধারায় বর্ণমালা বিদ্যাপীঠ

ঢাকা, শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০ | ১২ মাঘ ১৪২৬

সাফল্যের ধারায় বর্ণমালা বিদ্যাপীঠ

রতন বালো ৮:৫৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯

print
সাফল্যের ধারায় বর্ণমালা বিদ্যাপীঠ

আদর্শ জাতি গঠনে ৪০ বছর ধরে অবদান রেখে যাচ্ছে বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। গত ৮ বছরে প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট (পিএসসি) ও ৬ বছরে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জিপিএ) পরীক্ষায় পাসের হার একশ’ ভাগ অর্জন করেছে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায়ও সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মেধাবী, অস্বচ্ছল ও এতিম শিক্ষার্থীদের বই ক্রয়সহ আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হয়।

চলতি বছরে ৫৭ জন বালককে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৯৬ টাকা ও ৯১ জন বালিকাকে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৭৭ টাকা বিনা বেতনে পড়ালেখার সুয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১১৩ জনকে শিক্ষার্থীকে এককালীন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭২৫ টাকা, ৪৭ জন এসএসসি পরীক্ষার ফি ৪৫ হাজার ৬২৫ টাকা মওকুফ করা হয়েছে। গত বছর ৯৯ জন বালককে এককালীন ৯৯ হাজার ৬০০ টাকা, ১১০ জন বালিকাকে ৭১ হাজার ৭০০ টাকা, ৫৫ জন বালককে ১ লাখ ২৩ হাজার এবং ৭০ জন বালিকাকে ১ লাখ ২১ হাজার টাকার বিনা বেতনে পড়ার আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হয়।

শিক্ষানুরাগী মহৎ প্রাণ ব্যক্তিদের উদ্যোগে ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার দনিয়া এলাকায় ১৯৭৯ সালে ডেমরা থানাধীন ৪২৩ নং দক্ষিণ দনিয়া এলাকায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৬১ নম্বর ওয়ার্ডে পড়েছে বিদ্যালয়টি। বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৮৫ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি ও ১৯৯৫ সালে বিদ্যালয়টিতে উচ্চ মাধ্যমিক অনুমোদন লাভ করে। ২০০২ সালে কলেজ এমপিওভুক্ত করা হয়।

বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যাপীঠে দিবা ও প্রভাতি ২ শিফটে ক্লাস নেওয়া হয়। এতে প্রাথমিকে ১ হাজার ৩৮ জন, মাধ্যমিকে ৩ হাজার ৯৪৫ জন এবং মাধ্যমিকে ৫১০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। বর্তমান অধ্যক্ষ ভূঁইয়া আবদুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর এ প্রতিষ্ঠানটি দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়। এ সাফল্যের অংশীদার প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ মেধাবী শিক্ষকমণ্ডলী ও গভর্নিং বডির বর্তমান সভাপতি আলহাজ আব্দুর সালাম বাবু।

বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি আব্দুস সালাম বাবু বলেন, উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদান অনস্বীকার্য। একজন শিক্ষক শিশুদের যে শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন, শিশুরা তাই শিখবে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় এ প্রতিষ্ঠান ভালো করে আসছে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।