এইচএসসির পর ফার্মেসিতে উচ্চশিক্ষা

ঢাকা, রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২ | ১৭ আশ্বিন ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

এইচএসসির পর ফার্মেসিতে উচ্চশিক্ষা

ফারুক হোসেন
🕐 ২:১০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০১৯

এইচএসসির পর ফার্মেসিতে উচ্চশিক্ষা

বর্তমানে দেশে প্রায় ৩৫০টি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা থেকে উৎপাদিত ওষুধগুলো দেশের সম্পূূর্ণ চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৭০টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে। ওষুধ উৎপাদন, মাননিয়ন্ত্রণ ও বিপণনে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অপরিসীম। দেশের মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্ররা সময়োপযোগী এই শিক্ষার মাধ্যমে ফার্মাসিস্ট হিসেবে তৈরি হয়ে এই পেশা ও শিল্পকে দেশে ও দেশের বাইরে সুনাম অর্জন করতে সহায়তা করছে।

অনেক শিক্ষার্থীই এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন করছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদযাত্রা শুরুর প্রথম দিকেই ১৯৯৫ সালে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এ ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৭ হাজারের অধিক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করছে। এ ইউনিভার্সিটিতে বর্তমানে ২ শতাধিক শিক্ষক পাঠ্যদানে নিয়োজিত আছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসিতে পড়াশোনা সুযোগ রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরিদা বেগম এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের প্রধান। এই বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত। এতে রয়েছে সময়োপযোগী ও অনুমোদিত পাঠক্রম, আধুনিক ও পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ল্যাবরেটরি এবং প্রয়োজনীয় ও আধুনিক পুস্তক সংবলিত গ্রন্থাগার। দেশের বরেণ্য ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রবীণ ও নবীন শিক্ষকরা এই বিভাগে শিক্ষাদানের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতোমধ্যে কৃতকার্য হওয়া ফার্মাসিস্টরা দেশের বিভিন্ন ওষুধ উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে রয়েছে সুসজ্জিত ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সংবলিত ৫টি ল্যাবরেটরি যেখানে আধুনিক, সৃজনশীল ও বিভিন্ন জটিল বিষয় নিয়ে ছাত্ররা সার্বক্ষণিক গবেষণা করে থাকে। এসব গবেষণার ফলাফল, তথ্য-উপাত্ত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সাময়িকীতে ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে যা বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তা ছাড়াও এই বিভাগ অভিজ্ঞ প্রবীণ ও নবীন শিক্ষকম-লীর সমন্বয়ে গঠিত।

এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল স্বল্প খরচে মেধাবী ছাত্রদের মানসম্পন্ন শিক্ষাদান। ফার্মেসি বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য যেখানে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ থেকে ৯ লাখ টাকার প্রয়োজন সেখানে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে সর্বসাকুল্যে প্রয়োজন ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মাত্র। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব একটি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এডুকেশন সেল (আইকিউএসি) রয়েছে।

এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বিশ্বদ্যিালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধীনে ‘হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহেন্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ)’ ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ৭টি সেলফ অ্যাসেসমেন্ট কমিটি ১ জুলাই ২০১৫ হতে যথারীতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। ইতোমধ্যে ৭টি বিভাগের পিয়ার রিভিউয়ের কাজ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞের দ্বারা সম্পন্ন করা হয়েছে।

এখানে রয়েছে ৩টি সুসজ্জিত সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, ইন্টারনেট ও ল্যাবরেটরি সুবিধা। ছাত্রছাত্রীদের আবাসিক সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাছেই রয়েছে ৬টি হোস্টেল। এ ছাড়া রয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যাডভোকেসি সেল, স্যোসাল বিজনেস একাডেমিক সেল, ডিবেটিং ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, পরিবহন সুবিধা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ২০১০-এর আইন অনুযায়ী দরিদ্র, মেধাবী ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বৃত্তি প্রদান করা হয়। এ ছাড়া যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্তদের বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস বাড্ডার সাতারকুলে স্থাপন করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ : Website: www.diu.ac

 
Electronic Paper