নিরাপদ খাদ্যের ক্যাম্পাস গড়তে সিওয়াইবি

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৫ আশ্বিন ১৪২৬

নিরাপদ খাদ্যের ক্যাম্পাস গড়তে সিওয়াইবি

আখতার হোসেন আজাদ ২:২৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০১৯

print
নিরাপদ খাদ্যের ক্যাম্পাস গড়তে সিওয়াইবি

দেশ যখন ভেজাল খাদ্য নামক নীরব ঘাতকের ছোবলে এক প্রকার বিপর্যস্ত, তখন দেশের বিভিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে অরাজনৈতিক ও অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কনজুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ। কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করার পর ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধন লাভ করে। এই সংস্থাটির যুব সংগঠন কনজুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি)।

দেশের ২১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কলেজে ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, খাদ্যে ভেজালপ্রতিরোধ ও ভোক্তা অধিকার সচেতন বিশেষ জনগোষ্ঠী তৈরি করার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও ভেজালখাদ্য দূরীকরণে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে এই সংগঠনটির সদস্যরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্ববৃহৎ এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা ৪৫০ এর অধিক।

হলের ডাইনিংয়ের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নিশ্চিতকরণে ডাইনিং পরিচালকদের সচেতন করা, ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে খাবারের দোকানগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করা ও কোনো অনিয়ম দেখলে তাৎক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করা, সর্বোপরি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে।

সম্প্রতি খাদ্যের গুণগত মান ও দাম নির্ধারণে এবং পচা, বাসি খাবার পরিবেশন প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ খাবারের দোকান ও হোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে এই সংগঠনটি।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর কর্তৃক আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেছেন এই সংগঠনের সদস্য। কনজুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি শামিমুল ইসলাম সুমন বলেন, দেশের প্রথম ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্যের ক্যাম্পাস হবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ভোক্তা অধিকার ও খাদ্যে ভেজাল সম্পর্কে সচেতন নাগরিকরাই পারবে নিরাপদ খাদ্যের দেশ গড়তে।