ঈদ পরবর্তী ক্যাম্পাস

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৫ আশ্বিন ১৪২৬

ঈদ পরবর্তী ক্যাম্পাস

তানভীর আহম্মেদ ২:১১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০১৯

print
ঈদ পরবর্তী ক্যাম্পাস

একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর জন্য জীবন মানেই ক্লাস, পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন আর পড়াশোনার চাপে ক্লান্ত জীবন। যতক্ষণ ক্যাম্পাসে থাকে ততক্ষণ যেন দম ফেলার হুঁশ থাকে না। ক্লান্তিময় এ জীবনে যখন ঈদের মতো অত্যন্ত আনন্দের, উৎসবের, খুশির একটা মুহূর্ত আসে, সঙ্গে মোটামুটি বিরতির একটা ছুটি, তখন সেটা কতটা প্রশান্তির আর সুখের তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

ঈদের ছুটি পাওয়া মাত্রই শিক্ষার্থীরা ফিরে যায় পুরনো স্মৃতিঘেরা প্রিয়জন আর শৈশবে। শুরু হয় নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা, প্রিয়জনদের সঙ্গে মধুর সেই সুখের মুহূর্তের জন্য ছুটে চলা। একটা সময় কাক্সিক্ষত সেই মুহূর্তের দেখা মেলে, আবারও পুরনো সেই মুহূর্তের মতো কিছু সুন্দর মুহূর্ত আর মধুর সময় ফিরে আসে। শহরের ইট, পাথরের দেয়াল থেকে বেরিয়ে এসে গ্রামের সবুজ, শ্যামল ভূমিতে জীবনটা বড়ই উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

কিন্তু সময়ের চাকায় সেটা বেশি দিন স্থায়ী হয় না। একটা সময় ছুটি শেষ হয়ে যায়। সকল আবেগ, অনুভূতি, মায়া বিসর্জন দিয়ে পুনরায় ফিরে যেতে হয় বাস্তবতার সেই ব্যস্ত গন্তব্যে। বাংলাদেশের অন্যান্য ক্যাম্পাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঠিক এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

জাতীয় শোক দিবস, সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট দশ দিনের বিরতি শেষে অবশেষে শিক্ষাজীবনের ব্যস্ত দিনগুলোতে ফেরত আসতে শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের এই ফিরে আসা ক্যাম্পাসকে করে তুলেছে এক মোহনীয় অনন্য সুন্দর স্থানে। দশদিন জনমানবশূন্য ক্যাম্পাস এতদিন পরে আবার নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। শিক্ষার্থীরা যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাণশক্তি, এখানকার শিক্ষার্থীদের প্রাণচঞ্চল পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস সেটা বেশ ভালোভাবেই প্রমাণ করে দেয়।


একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর জন্য জীবন মানেই ক্লাস, পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন আর পড়াশোনার চাপে ক্লান্ত জীবন। যতক্ষণ ক্যাম্পাসে থাকে ততক্ষণ যেন দম ফেলার হুঁশ থাকে না। ক্লান্তিময় এ জীবনে যখন ঈদের মতো অত্যন্ত আনন্দের, উৎসবের, খুশির একটা মুহূর্ত আসে, সঙ্গে মোটামুটি বিরতির একটা ছুটি, তখন সেটা কতটা প্রশান্তির আর সুখের তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

ঈদের ছুটি পাওয়া মাত্রই শিক্ষার্থীরা ফিরে যায় পুরনো স্মৃতিঘেরা প্রিয়জন আর শৈশবে। শুরু হয় নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা, প্রিয়জনদের সঙ্গে মধুর সেই সুখের মুহূর্তের জন্য ছুটে চলা। একটা সময় কাক্সিক্ষত সেই মুহূর্তের দেখা মেলে, আবারও পুরনো সেই মুহূর্তের মতো কিছু সুন্দর মুহূর্ত আর মধুর সময় ফিরে আসে। শহরের ইট, পাথরের দেয়াল থেকে বেরিয়ে এসে গ্রামের সবুজ, শ্যামল ভূমিতে জীবনটা বড়ই উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

কিন্তু সময়ের চাকায় সেটা বেশি দিন স্থায়ী হয় না। একটা সময় ছুটি শেষ হয়ে যায়। সকল আবেগ, অনুভূতি, মায়া বিসর্জন দিয়ে পুনরায় ফিরে যেতে হয় বাস্তবতার সেই ব্যস্ত গন্তব্যে। বাংলাদেশের অন্যান্য ক্যাম্পাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঠিক এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

জাতীয় শোক দিবস, সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট দশ দিনের বিরতি শেষে অবশেষে শিক্ষাজীবনের ব্যস্ত দিনগুলোতে ফেরত আসতে শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের এই ফিরে আসা ক্যাম্পাসকে করে তুলেছে এক মোহনীয় অনন্য সুন্দর স্থানে। দশদিন জনমানবশূন্য ক্যাম্পাস এতদিন পরে আবার নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। শিক্ষার্থীরা যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাণশক্তি, এখানকার শিক্ষার্থীদের প্রাণচঞ্চল পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস সেটা বেশ ভালোভাবেই প্রমাণ করে দেয়।