স্বপ্নপূরণের সারথী অন্বেষণ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

স্বপ্নপূরণের সারথী অন্বেষণ

সাজ্জাদ বাসার ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৬, ২০১৯

print
স্বপ্নপূরণের সারথী অন্বেষণ

কোচিং বাণিজ্য যেখানে করছে রাজত্ব, এই বাণিজ্যিক চিন্তা ভাবনার বাইরে আমরা অন্য কিছু চিন্তা করতে ভুলে গেছি। বাণিজ্যিক মনোভাব আমাদের সব জায়গাতেই গ্রাস করে ফেলেছে। বাণিজ্যিকতার এই মহাসমারোহে, একটু ভিন্ন চিন্তার ধার খুঁজে পাওয়া যায় কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায়।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে কাজ করছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত এমন একটি ভিন্ন আঙ্গিকের শিক্ষালয়, নাম যার ‘অন্বেষণ’। এই অন্বেষণেই জীবনকে খুঁজে পান অনেকেই। এই অন্বেষণ উচ্চ শিক্ষার পথ দেখায়, এই অন্বেষণ দেখায় জীবনের আলোকিত দিকটি। বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে এলাকায় যেন এক ভিন্ন নজির সৃষ্টি করছে এই ‘অন্বেষণ’।

যারা এই বাণিজ্যের যুগে অর্থের অভাবে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে না, কোথাও কোচিং করতে পারে না, তাদের জন্য এই ‘অন্বেষণ’।

একদিকে শিক্ষার্থীদের সেবা অন্যদিকে নিজ এলাকার নাম সারা দেশে পৌঁছে দেয়া, এর চেয়ে ভালো উদ্যোগ আর কী হতে পারে। প্রতিবছরই দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মেধার স্বাক্ষর রাখে এখানকার শিক্ষার্থীরা। যারা চান্স পান তারাও পরবর্তীতে এগিয়ে আসেন এই অন্বেষণকে এগিয়ে নিতে। এভাবেই পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে এর অগ্রযাত্রা।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়া এই ‘অন্বেষণ’ এর উদ্যোক্তা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক সম্পন্ন করা মো. মনির সরকার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকসম্পন্ন সাইদুল ইসলাম ও জহিরুল ইসলাম। এখানে বিনামূল্যে কোচিং করা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেই শোনা যায় তাদের সাফল্যের কথা, অন্বেষণ থেকে তাদের প্রাপ্তির কথা।

অন্বেষণ থেকে কোচিং করে ২০১৭-২০১৮ সেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘চায়না ভাষা ও সংস্কৃতি’ বিভাগে পড়ুয়া রহিমা বলেন, আমি অন্বেষণ কোচিং সেন্টার কে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আজ এই কোচিং সেন্টারের কারণেই আমার মতো নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে হয়েও আজ প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাবিতে চান্স পেয়েছি।