এরা সোকল্ড মানবাধিকারকর্মী

ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬

এরা সোকল্ড মানবাধিকারকর্মী

খোলা কাগজ ডেস্ক ৯:৪৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০১৯

print
এরা সোকল্ড মানবাধিকারকর্মী

লাভলী রহমান, একজন মানবাধিকারকর্মী যার লোমহর্ষক অমানবিকতা নিজের ঘরের শিশু গৃহপরিচারিকা খাদিজার প্রতি! ঢাকার সার্কিট হাউস রোডের ‘গাউছিয়া ডাইনেস্টি’ অ্যাপার্টমেন্টের ১০ম তলার ‘বি-১০’ নম্বর ফ্ল্যাটের মালিক লাভলী তার বাড়ির খাদিজা নামক গৃহকর্মীকে নির্যাতন করে ১০ তলার বারান্দার গ্রিলের বাইরে জোর করে নামিয়ে দেন।

এই অমানবিক সোকল্ড মানবধিকারকর্মী ‘লাভলী ম্যাডাম’-এর ভাষ্যমতে, ‘খাদিজা ও হেলেনা তার দুই গৃহকর্মী। দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয় এবং ঝগড়ার একপর্যায়ে খাদিজা বারান্দার বেষ্টনীর ফোকর গলে বাইরে ঝুলে থাকে।’ সব থেকে মজার বিষয় হচ্ছে ১৪-১৫ বছরের খাদিজাকে যখন রাস্তায় ভিড় হওয়া পাবলিকের খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো পুলিশ কর্মকর্তা লাভলী বেগমের অনিচ্ছায় ড্রইংরুম থেকে বাসার ভিতর থেকে খাদিজাকে বের করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সোফায় বসতে বললেন অমনি অমানবিক মানবাধিকারকর্মী লাভলী বললেন, ‘ও আমার চাকর ও কেন বসব! ও দাঁড়িয়েই থাকবে।’

অসহায় গৃহকর্মী খাদিজা দীর্ঘ সময়কাল বারান্দার গ্রিল ধরে সরু ওই সানসেটের ওপর দাঁড়িয়ে ঝুলছিল। লোক জানাজানি হওয়ার পরে মানবিক(!) লাভলী তাকে বারান্দার গ্রিলের দরজা খুলে ভিতরে নেয়। যদি এমন হতো যে, মেয়েটা ভয়ে কিংবা কোনো কারণে হাত ফসকে নিচে পড়ে গেল, তাহলে নির্ঘাৎ মেয়েটা লাশ হয়ে যেত। তখন এই সোকল্ড মানবধিকারকর্মী চাউর করত যে মেয়েটা আত্মহত্যা করেছে। তাই নয় কী? কী পরিমাণ অসভ্য ও নির্মম হলে মানুষ এ ধরনের হিংস্র আচরণ করতে পারে!

সাইফুল ইসলাম মুনশি
সাংবাদিক