নীলফামারীতে নাট্যোৎসব সমাপ্ত

ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

নীলফামারীতে নাট্যোৎসব সমাপ্ত

বিনোদন প্রতিবেদক ১:২৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৭, ২০১৯

print
নীলফামারীতে নাট্যোৎসব সমাপ্ত

নীলফামারীতে সমাপ্ত হয়েছে সাড়াজাগানো পাঁচদিনের আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ওই উৎসবের শেষ দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় শিল্পী সৈয়দা শামছি আরা সায়েকার একক অভিনয়ে নাটক ‘গহনযাত্রা’। অন্যান্য দিনের মতো সমাপনী দিনেও নাটক উপভোগে প্রাণচাঞ্চল্য ছিল দর্শকদের মধ্যে।

ভারত-বাংলাদেশের শিল্পীদের অংশগ্রহণে ওই নাট্যোৎসবটি শুরু হয় ১ নভেম্বর সন্ধ্যায়। দুই দেশের ৫টি নাট্যদলের অভিনয় শিল্পীরা আকাক্সক্ষা পূরণ করেছেন দর্শকদের। তারা বলেছেন, মানবিক মূল্যবোধ বিকাশ, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতির সেতুবন্ধন তৈরিতে অবদান রাখবে এই উৎসব।

উৎসবের শেষ দিনে ‘গহনযাত্রা’ নাটকটি পরিবেশন করে ঢাকার পদাতিক নাট্য সংসদ। রুবায়েত আহমেদের রচনা ও সুদীপ চক্রবর্তীর নির্দেশনায় সৈয়দা শামছি আরা সায়েকার একক অভিনয় মুগ্ধ করে দর্শকদের।

পিনপতন নীরবতার মধ্য দিয়ে নাটকটি উপভোগ করেন চার শতাধিক দর্শক। নাটক শেষে সবার মুখে প্রশংসার ঝড় ওঠে। অনেকে মন্তব্য করেন, ‘এভাবেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব সুস্থ সংস্কৃতির অনুশীলন।’

উৎসব শুরুর দিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ভানু সুন্দরীর পালা’। উইলিয়াম শেকসপিয়ারের ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’-এর ছায়া অবলম্বনে নাটকটি পরিবেশন করেন ভারতের ‘চাকদা নাট্যজন’ শিল্পীরা। দ্বিতীয় দিনে রাজশাহীর অনুশীলন নাট্যদল পরিবেশন করে নাটক ‘বুদে রামের কূপে পড়া’। রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন মলয় ভৌমিক। তৃতীয় দিনে ভারতের ছন্দম নাট্যদল পরিবেশন করে নাটক ‘মেদেয়ারা’।

রচনা করেছেন হর ভট্টাচার্য এবং নির্দেশনায় গৌতম মুখার্জি। চতুর্থ দিনে নীলফামারীর জলসিঁড়ি নাট্য সংস্থা পরিবেশন করে নাটক ‘হবু রাজার একুশ পালন’। নাটকের রচনা করেছেন সম্বিত সাহা ও নির্দেশনায় ছিলেন জার্জিজ আলম।

নীলফামারী জেলা পরিষদ ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি নীলসাগর গ্রুপের সহযোগিতায় পাঁচদিনের আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবের আয়োজন করে। উদ্বোধনী দিনের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সভাপতি লিয়াকত আলী লাকী।

নাট্যোৎসবের আহ্বায়ক ও জলসিঁড়ি নাট্য সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও দর্শকদের সহযোগিতায় আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ৫ দিনের এ উৎসব শেষ করতে পেরেছি।