মানবতার পথে সৌন্দর্য...

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ | ৩০ কার্তিক ১৪২৬

মানবতার পথে সৌন্দর্য...

খন্দকার হাসনাত করিম ১:০৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০১৯

print
মানবতার পথে সৌন্দর্য...

পর্দা উঠেছে ‘মিস ঢাকা ২০২০’ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার। এই প্রতিযোগিতায় শুধু ঢাকায় বসবাসরত তরুণীরা অংশ নিতে পারবেন (আদি নিবাস দেশের যে কোনো জেলায়ই হোক না কেন)। এখন চলছে প্রতিযোগিতার নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস থেকে রেজিস্ট্রেশন ফরম সংগ্রহ করে প্রার্থী রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া। ২০২০ সালের ১ মার্চ প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব মিরনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার ‘লোগো’, ‘ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ প্রভৃতি কমিউনিকেশন টুলসের উদ্বোধনী হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ মুরাদ হাসান, ‘বাচসাস’ সভাপতি ফালগুনি হামিদ, প্রতিযোগিতার অন্যতম আয়োজক চলচ্চিত্রকার ও পরিচালক শহীদ রায়হান, অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ‘স্টার প্লাস কমিউনিকেশন্স’-এর পরিচালক নাজমুল খান প্রমুখ।

‘মিস ঢাকা’ প্রতিযোগিতার প্রথম ও প্রধান প্রতিপাদ্য করা হয়েছে ‘Beauty is not in the face. Beauty is the light in the Heart’ এই মর্মবাণীকে। প্রতিযোগিতার বাছাই সোপানে এর বিঘোষিত ব্যতিক্রম ও মৌলিক মূল্যবোধ চোখে পড়ে। শুরু হবে প্রাথমিক বাছাই পর্ব দিয়ে। এর পরের পর্বগুলো হবে সাক্ষাৎকার, কর্মতৎপরতা, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি, সেরা দশ বাছাই, গ্রুমিং এবং সর্বশেষে ‘গ্রান্ড ফিনালে।’ অংশগ্রহনেচ্ছু প্রতিযোগিনীর জন্য অভিভাবকের সম্মতি শর্তসাপেক্ষ করা হয়েছে। এটি প্রশংসাযোগ্য। অভিনন্দনের জায়গাগুলো অন্যত্র।

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ এবং ‘মিসেস বাংলাদেশ’ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার পর স্রেফ ঢাকায় বসবাসরত সুন্দরীদের জন্য হচ্ছে এই প্রতিযোগিতা। তবে তাদের স্থায়ী বা দেশের বাড়ি ঢাকার বাইরের কোনো জেলা হতে কোনো বাধা নেই। বয়সের কোঠা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ১৮ থেকে ২৫ বছর। ব্যক্তিত্ব বিকাশের আসলে এটাই সেরা সময়।

কবি রফিক আজাদের মতো বলতে গেলে, ‘এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাওয়ার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’ দেহজ সৌন্দর্য প্রকাশের প্রচলিত ধারণা ভাঙার মূর্ত প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠে এসেছেন আমাদের সময়ের ক’জন কৃতী, দরদী ও মনীষী নারী।

এরা হলেন দরদী নারী মাদার তেরেসা, নারী শিক্ষার অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত, কবি ও জাগরণের দূত বেগম সুফিয়া কামাল এবং জনকল্যাণ ও সমাজসেবার পুরোধা নারী নওয়াব ফয়জুন্নেসার মতো গুণী ও দেশবরেণ্য নারী। ধারণা-বিকাশের এই পছন্দের মধ্যেই ঠাহর করে নিতে কষ্ট হয় না উদ্যোক্তাদের ব্যতিক্রমী বিবেচনা এবং রুচি ও ভাবনার স্তর-বিন্যাস।