অস্ট্রেলিয়ায় প্রশংসিত শনিবার বিকেল

ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬

অস্ট্রেলিয়ায় প্রশংসিত শনিবার বিকেল

বিনোদন প্রতিবেদক ৩:২৪ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০১৯

print
অস্ট্রেলিয়ায় প্রশংসিত শনিবার বিকেল

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বহুল প্রতীক্ষিত ‘শনিবার বিকেল’ ছবিটি এখনো বাংলাদেশে মুক্তির অনুমতি পায়নি। তবে প্রশংসা পাচ্ছে বিদেশের মাটিতে। ৪১তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পর ছবিটি এবার অংশ নিয়েছে ‘সিডনি চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৯’-এ। সোমবার ছবিটি প্রদর্শিত হওয়ার পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সিডনি থেকে ফারুকী জানান, সোমবারের শো’টি দুর্দান্ত হয়েছে। আগত দর্শকরা ছবিটির প্রশংসা করেছেন বলেও জানান তিনি। ‘শনিবার বিকেল’ ছবিটি নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমে। অস্ট্রেলিয়ার ‘মেইক দ্য সুইচ’-এ একটি রিভিউ প্রকাশ পেয়েছে ছবিটির। চলচ্চিত্র সমালোচক চার্লি ডেভিডয়ের লেখা সেই রিভিউতে বলা হয়েছে, ছবির দৃশ্যগুলোকে বাস্তব মনে হয়েছে। পুরো সিনেমাটি ক্যামেরার এক শটে ধারণ করা হয়েছে।

এই কৌশলটি পরিস্থিতির অস্থিরতাটিকে অনুভব করিয়েছে, দৃশ্যগুলোকে বাস্তবের মতো করেছে। সেই সঙ্গে সরাসরি সন্ত্রাস না দেখিয়ে বিষয়টি ক্যামেরার বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা অভিনয়শিল্পীদের মুখভঙ্গির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। ক্যামেরার এক শটে পুরো সিনেমা করার বিষয়টি অভিনয়শিল্পীদের কাঁধে অনেক কঠিন একটি দায়িত্ব। তবে দায়িত্ব খুব ভালোভাবেই পালন করতে পেরেছেন তারা।

নুসরাত ইমরোজ তিশা রাইসা চরিত্রটিতে রূপদান করেছেন। উগ্রপন্থীদের নানাভাবে বুঝানোর চেষ্টা করলেও তারা নিজেদের মতবাদে অটল থাকে। সন্ত্রাসবাদ এবং উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এই ছবিটি পশ্চিমা দর্শকদের সামনে জঙ্গিবাদের ভয়াবহতা তুলে ধরেছে। ছবির সমাপ্তিতে সব ঝাপসা হয়ে অন্ধকার হয়ে যায়। ফলে শেষ পরিণতি আর জানা হয় না, শুধু হারাতে হয় অনেক প্রাণ।

২০১৬ সালের ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান হামলার ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ-জার্মানির যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণ করা হয়েছে ‘শনিবার বিকেল’। ছবিতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা, জাহিদ হাসান ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এর আগে ৪১তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট জুরি পুরস্কার পায় ছবিটি।

বিশ্ব মিডিয়াতে এবারই প্রথমবারের মতো ‘শনিবার বিকেল’-এর রিভিউ প্রকাশ করা হয়নি, এর আগে গত মে মাসের ‘হলিউড রিপোর্টার’-এ বাংলাদেশি এই ছবিটি নিয়ে রিভিউ লেখেন আমেরিকার অভিনেত্রী, নির্মাতা, লেখিকা এবং সমালোচক দেবোরাহ ইয়ং।