অতীতের সব রেকর্ড ভাঙবে পাসওয়ার্ড

ঢাকা, বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯ | ৫ আষাঢ় ১৪২৬

ক থা সা মা ন্য @ খোলা কাগজ

অতীতের সব রেকর্ড ভাঙবে পাসওয়ার্ড

মাজহারুল ইসলাম তামিম ৫:৪০ অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০১৯

print
অতীতের সব রেকর্ড ভাঙবে পাসওয়ার্ড

ঢাকাই সিনেমার মাস্টার মেকার মালেক আফসারী তার পরিচালিত ঈদের ছবি পাসওয়ার্ডের নির্মাণ, মুক্তি ও সাফল্যের আশাবাদ নিয়ে কথা বলেছেন মাজহারুল ইসলাম তামিমের সঙ্গে

পাসওয়ার্ড সিনেমার কাজ এখন কোন পর্যায়ে?
পাসওয়ার্ডের কাজ এখন একদম শেষ পর্যায়ে। শুটিং, ডাবিং ও সম্পাদনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শুধু একটা গান বাকি। আশা করি, খুব শিগগিরই এসব কাজ শেষ করে আপনাদের মাঝে একটি ভালোমানের সিনেমা উপহার দিতে পারব।

সিনেমাটি নিয়ে আপনি কতটুকু আশাবাদী?
সিনেমাটি নিয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী। আমার পরিচালিত সিনেমার মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ অতীতে দর্শক পছন্দ করেছে। আমার সিনেমাগুলো ব্যবসা সফলও। আমার অভিজ্ঞতা বলছে পাসওয়ার্ড সিনেমাটি অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলবে।

আপনার সব সিনেমাই কি ব্যবসা সফল হয়েছে?
সব সিনেমা ব্যবসা সফল হয়েছে এমনটি না বললেও আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, আমার বেশির ভাগ সিনেমায় ব্যবসা সফল হয়েছে। আসলে আমি এমন সিনেমা নির্মাণ করতে ভালোবাসি না যেটার কারণে মানুষ সিনেমাবিমুখ হয়।

পাসওয়ার্ড কি লগ্নি টাকা ফেরত আনতে পারবে?
পাসওয়ার্ড নিঃসন্দেহে একটি আলোচিত সিনেমা। আর আমার বানানো সিনেমা ভালো ব্যবসা করে বলেই প্রয়োজকরা আমাকে দিয়ে সিনেমা বানায়। আমি যার সিনেমা একবার বানিয়েছি, আবার তিনি আমাকে দিয়ে সিনেমা বানাতে আগ্রহী হয়েছে। আর তো বেশি দিন বাকি নেই, সিনেমাটি মুক্তি পেলেই সবকিছু প্রমাণ হয়ে যাবে। আর শাকিব খান ফিল্মস প্রযোজিত এই সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন সুপারস্টার শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা বুবলী। এখানে শাকিব একজন পরীক্ষিত প্রযোজক। তা ছাড়া শাকিব-বুবলি জুটির একটা আলাদা দর্শক আছে। সবমিলে এটি একটি ব্যবসা সফল ছবি হবে এ ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।

প্রচারণা কবে থেকে শুরু করবেন?
ইতোমধ্যে সিনেমার প্রচার শুরু হয়েছে। আমার সিনেমা নিয়ে এই যে আলোচনা হচ্ছে এটাও তো একটা প্রচার। আর যদি ফরমাল প্রচারের কথা বলেন সেটা শুরু হবে আরও তিন-চার দিন পর। এখানে শাকিব খানের নিজস্ব চ্যানেল থেকে প্রচারণা হবে আশা করি খারাপ হবে না।

ঈদে আরও দুটি সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে, দর্শক পাসওয়ার্ড কেন দেখতে যাবে?
ঢাকায় তো বিরিয়ানির দোকান অনেক। তারপরও আমরা হাজির বিরিয়ানিতে খেতে যাই কেন। আমি সিনেমা বানাচ্ছি এটা জানার পর এমনিতেই দর্শকরা সিনেমা হলে যাবে। আগেও আমার সিনেমা দেখতে দর্শকরা সিনেমা হলে যেত, এখনো যাবে। এই ছবি দেখলে দর্শক পুরোপুরি বিনোদন পাবে। কিন্তু আগে থেকেই যদি বলেন দর্শক কেন সিনেমা হলে এই সিনেমা দেখতে যাবে তাহলে আমি বলব অতীত অভিজ্ঞতা থেকেই দর্শকরা সিনেমা দেখতে যাবে।

বিশ্বকাপের সময়ই সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে, এ নিয়ে আপনি চিন্তিত?
এটা ঠিক আমরা ক্রিকেট পাগল জাতি। কিন্তু খেলা হচ্ছে এক ধরনের বিনোদন। সিনেমার বিনোদনটা অন্য জায়গায়। আর এ জন্যই বিশ্বকাপের কথা ভাবনাই আসেনি। এগুলো ভাবলে তো আর ঈদে কোনো ছবিই মুক্তি দেওয়া উচিত হবে না। খেলাকে কোনো অপজিশন মনে করছি না। মানুষ খেলার দিন খেলা দেখবে আবার অবসরে সিনেমা দেখবে।

ছবির কোন চরিত্রটি নিয়ে আপনার প্রত্যাশা বেশি?
আমার ছবির পাসিং শর্টে যে কাজ করেছে সেও আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা চরিত্র নিয়েই আমি আশাবাদী। সবাই মন দিয়ে কাজ করেছে। সবার প্রতি সমান প্রত্যাশা। আমি মনে করি, পুরো টিম যেভাবে সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন তাতে সামগ্রিকভাবে সিনেমাটি দর্শকের মন জয় করতে পারবে।