কাজ থেকেই সব শিখেছি

ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯ | ৪ ভাদ্র ১৪২৬

ক থা সা মা ন্য

কাজ থেকেই সব শিখেছি

তৌফিকুল ইসলাম ২:৪৮ অপরাহ্ণ, মে ০৪, ২০১৯

print
কাজ থেকেই সব শিখেছি

সোনাক্ষী সিনহা নয় বছরের ক্যারিয়ারে অনেক সুপারহিট ছবি উপহার দিয়েছেন। সর্বশেষ অভিনীত কলঙ্ক ছবি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেছেন ডিএনএ ডটকমের সঙ্গে। সে সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। ভাষান্তর : তৌফিকুল ইসলাম

কলঙ্ক মুভির অংশ হওয়ার অনুভূতিটা কেমন ছিল?

এটি খুবই চমৎকার অনুভূতি এরকম বৈচিত্র্যপূর্ণ ও মেধাবী একটি চরিত্রে অভিনয় করতে পারা। বিশেষ করে ধর্ম প্রডাকশন এবং সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা স্যারের কাজ বিস্ময়কর।

কোন বিষয়টি আপনাকে কলঙ্ক ছবির সত্য চরিত্রের জন্য আকৃষ্ট করল?
এটা অন্যতম বিরল একটি চরিত্র, যা আপনার খুবই কাছে চলে আসে। আমি এ ক্যারেক্টারকে একটি উপহার হিসেবে গণ্য করি।

কোনো মুভি প্রত্যাশামতো ব্যবসায়িকভাবে ভালো না করতে পারলে আপনি কি অস্থির হয়ে ওঠেন?
না, আমি ছবি মুক্তির সময়েই ভাবি; আমি পরবর্তী মুভির দিকে অগ্রসর হব এবং আমার সবশক্তি ও ইতিবাচকতাকে নতুন ছবির জন্য রাখি। অবশ্যই আপনার খারাপ লাগবে, যখন আপনার সিনেমা ভালো করতে পারবে না। কারণ আমরা সবাই সে সিনেমার জন্য কাজ করেছি। কিন্তু আমি যে বিষয়টা পছন্দ করি, তা হলো, আমার পারফরম্যান্স সব মুভিতেই প্রশংসিত হয়েছে। আমি ঝুঁকি নিই, এর মধ্যে কিছু তার প্রাপ্য পায় আর কিছু আমি যেভাবে পছন্দ করি ঠিক সে উপায়ে হয় না। তবে আমি আমার সব মুভি থেকে অনেক কিছুই শিখেছি।

আপনার মতো তরুণ এবং আদুরে কারও জন্য এ পর্যায়ের ম্যাচিউরিটি কীভাবে এলো?
আমি জানি না। আমার জীবনের বেশিরভাগ সময়েই শান্ত ছিলাম। আমি এমন একজন ব্যক্তি, যে কখনো অপ্রয়োজনীয় স্ট্রেস নিই না। আমি আমার কাজ শান্ত এবং গোছালোভাবে করতে পছন্দ করি। নয় বছর আগে যখন এসেছিলাম, চলচ্চিত্র পরিবারে জন্ম নিয়েও আমি কিছুই জানতাম না। অভিনয় অথবা সিনেমা এবং এ সংক্রান্ত কোনো কিছুতেই আমার আগ্রহ ছিল না। আমার জন্য এটা যথারীতি নতুন বিষয়ই ছিল। কেউ বিশ্বাস করবে না, কিন্তু এটা সত্য। আমি কাজ থেকেই সব শিখেছি। আমি যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, তারা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। সো, এটা একটা লার্নিং প্রসেস ছিল এবং আশা করি এটি চলমান থাকবে। কারণ যা আপনাকে একজন ব্যক্তি ও অভিনেতা হিসেবে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করবে।

সালমান খান, অক্ষয় কুমার, অজয় দেবগনের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়েছেন
আবার অনেক বেশি তরুণ রণবীর সিং ও আদিত্য রায় কাপুরের সঙ্গেও কাজ করেছেন..
হ্যাঁ, আমি এ ভারসাম্য রাখতে পারায় আনন্দিত। কারণ এটি আমার জন্য কাজ করার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। শুধু এটিই নয়, এর মাধ্যমে আমি যে ফিল্মগুলো করেছি তার মধ্যেও আমি ভারসাম্য রাখতে পেরেছি।

আলিয়া ভাট এবং বরুণ দেওয়ান কলঙ্ক মুভির সেটে কেমন গতিশীল ছিল?
বিস্ময়কর! তারা দুজনই এ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার আগে থেকেই আমার বন্ধু ছিল। আমি বরুণকে স্কুলের দিনগুলো থেকেই চিনি। আর আলিয়া হচ্ছে এমন একজন যার আমি প্রশংসা করি। আমি মনে করি বর্তমান সময়ে সে সবচেয়ে মেধাবী অভিনেত্রীদের একজন। তাদের সঙ্গে কাজ করাটা অনেক সুন্দর অভিজ্ঞতা ছিল।

চলচ্চিত্র নির্মাতারা বলেন, আপনি খুব সময়ানুবর্তী...
আমি নিয়মানুবর্তিতার প্রতি খুবই সচেতন। আপনি যদি আমাকে কোনো পার্টিতে নয়টায় আসতে বলেন, আমি ঠিক নয়টায় সেখানে পৌঁছে যাব। সেখানে আর কেউ থাকবে না, আমিই প্রথম ব্যক্তি হবো। আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যেকের সময়কে সম্মান করা উচিত। আমি একজন অভিনেতা হিসেবে নির্দিষ্ট কাজের জন্য টাকা পাই। সুতরাং আমাকে অবশ্যই সময়ানুবর্তী হতে হবে, কারণ পুরো টিম সেখানে রয়েছে। তারা সবাই এসেছে, তাদের কাজ করেছে এবং আমার জন্য সবকিছু সাজিয়ে রেখেছে। সো, আমাকে সেখানে যেতেই হবে।