ক্লান্ত মনের গন্তব্যহীন যাত্রা

ঢাকা, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

ক্লান্ত মনের গন্তব্যহীন যাত্রা

শামীম শিকদার ১:৫৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০১, ২০২০

print
ক্লান্ত মনের গন্তব্যহীন যাত্রা

নানা কারণে কয়েকটি রাত কেটেছে প্রায় নির্ঘুম। তাই দিনে ঘুমের প্রকোপ কিছুটা বেড়েছে। তবুও সারাদিন কোনো অবকাশ নেই। দিন শেষে ক্লান্ত সূর্য পশ্চিম আকাশে কিছুটা হেলে পড়েছে। আমিও সূর্যের মত ক্লান্ত হয়ে চোখ বন্ধ করেছি মাত্র। এমন মুহূর্তে মোবাইল ফোনটা বেজে উঠলো।

ওপাশ থেকে আসাদুল্লাহ মাসুম ভাই বললেন, কাপাসিয়া বাজারে আসো। আমরা ঘুরতে যাব। আরও এক ঘণ্টা আগে এ ব্যাপারে শ্যামল দা ফোনে বলেছিলেন। তেমন গুরুত্ব না দিয়ে তখনও আমি শুয়ে আছি। মাসুম ভাইয়ের ফোন পেয়ে তড়িগড়ি করে উঠলাম? প্রস্তুতি নিলাম কাপাসিয়া সদরে যাওয়ার জন্য। এক এক করে আমরা পাঁচজন একসঙ্গে জড়ো হলাম। মোটরসাইকেল দুটি। উদ্দেশ্য রাণীগঞ্জ বাজারে যাওয়া। তারপর সেখান থেকে যার যেদিকে ইচ্ছে হয়। কারণ ওই এলাকাটি পার্যটন এলাকা না হলেও তার থেকে কোন অংশে কম নয়। রাণীগঞ্জ ঘাটপাড়ে মোটরসাইকেল রেখে আমরা নদী পার হলাম। নদী পার হওয়ার সময় নজরে পড়ল নৌকাতে বাঁশ বোঝাই করার দৃশ্য।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই এখন থেকে হাজার হাজার বাঁশ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। আমার প্রথমে গেলাম ক্যাফে হৈচৈ তে। নদীর পাড়ে নতুন নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফেটি। নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশ ও কাঠ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর অনেক প্রচার দেখেছি। অনেকটা দেখার আগ্রহ থেকে এখানে আসা। পরে আমরা যার যার মতো আলাদা হয়ে গেলাম।

নূরুল আমীন ভাই ক্যাফে থেকে বের হয়েই চলে গেল স্থানীয় বাজারে। রনি ভাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন গল্পে। শ্যমল দা কোথায় গেছে তা আমরা এখনও জানি না। আমি ও মাসুম ভাই একসঙ্গে বের হয়েছি। বাজার পার হয়ে আমরা গেলাম নদীর পাড়ে। জেলেরা মাছ ধরছে। মাঝিরা নদী পাড় করার জন্য ঘুরছে। আমরাও নদী পাড় হয়ে অন্য এক উপজেলা লাখপুরে যাব। তার আগে হেঁটে ক্ষানিকটা পথ এগুতে চাই।

সভাপতি, এগারজন
কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, গাজীপুর