ডেঙ্গু সচেতনতায় আলোচনা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬

ডেঙ্গু সচেতনতায় আলোচনা

চবি

রুমান হাফিজ ১:০৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৯

print
ডেঙ্গু সচেতনতায় আলোচনা

ডেঙ্গু একটি ভাইরাস, এডিস মশাবাহিত রোগ। এডিস মশা তিন দিনের জমানো স্বচ্ছ পানিতে লার্ভা ছাড়ে। এই মশা মানুষের আবাসস্থলে অবস্থান করে। যেখানে এডিস মশার লার্ভার প্রজনন ঘটে।

বর্ষার শেষ ভাগে ডেঙ্গু আবার মাথাচাড়া দিতে পারে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এগারজনের আয়োজনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে জরুরি বৈঠক ক্যাম্পাসের গ্রন্থাগার চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।

ডেঙ্গু এখনো মূর্তিমান আতঙ্ক। অনেকে মনে করেন ডেঙ্গু মানে মৃত্যু। কিন্তু ঠিকভাবে চিকিৎসা করা হলে প্রায় শতভাগ মানুষই সুস্থ হয়ে যায়। তাই আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই।

চবি শাখা এগারজনের সভাপতি আফফান ইয়াসিন তার সূচনা বক্তব্যে বলেন, ডেঙ্গু আসলে নতুন কোনো রোগ নয়। বাংলাদেশে ১৯৬৪ সালে অনেকের জ্বর হয়েছিল। সে সময় এত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছিল না। ফলে এর নাম দেওয়া হলো ঢাকা ফিভার।

২০০০ সালে অনেক ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যায়। সেটি ছিল প্রকৃত বিপদের সময়। কেননা, রোগীরা আতঙ্কগ্রস্ত ছিল। চিকিৎসকদেরও তখন তেমন অভিজ্ঞতা ছিল না। গত ১৯ বছরে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে।

এগারজন সদস্য শারমিন আক্তার বলেন, এবার ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব একটু বেশি। ফলে মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। কিন্তু অধিকাংশ রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দরকার নেই। বেশির ভাগ রোগীকে বাসায় চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

সদস্য রফিকুল্লাহ রাহাত বলে, আমাদের দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অন্যান্য উন্নত দেশের চেয়ে অনেক কম। এক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ার কথা উল্লেখ করা যায়। তবে আমাদের এত বেশি চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। নিজের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি নিজেকে সর্বদা সচেতন রাখার বিকল্প নেই।

ডেঙ্গু জ্বরে শরীরে প্রচ- ব্যথা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না। অনেকের ধারণা, অ্যান্টিবায়োটিক একেবারে দেওয়া যাবে না। এটা ঠিক নয়। ডেঙ্গুর সঙ্গে অন্য ব্যাকটেরিয়াজনিত কোনো রোগ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যেতে পারে।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিল সহ-সভাপতি নাজনীন সুরভী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিব আযাদ, মিডিয়া ও ফটোগ্রাফি সম্পাদক স্বাধীন ইসলাম আলিম, কার্যকরী সদস্য নবাব আব্দুর রহিম, নাদিয়া কানিজ, আতিকুর রহমান সুমন এবং সদস্য জাহিদ হাসান মিহাদ, জোবায়দা আক্তার রিয়া, আরজু আক্তার, মোঃ তুহিন, বৃষ্টি প্রমুখ।

সমন্বয়কারী, এগারজন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।