রাবি এগারজন’র চড়ুইভাতি

ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯ | ৪ ভাদ্র ১৪২৬

রাবি এগারজন’র চড়ুইভাতি

সাবিহা দোলা ২:০৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৮, ২০১৯

print
রাবি এগারজন’র চড়ুইভাতি

হুট করেই আমাদের গত মিটিংয়ে প্রস্তাব করলাম, ‘চলো একটা চড়ুইভাতি হয়ে যাক।’ রান্নার দায়িত্ব আমরা কয়েকজন নিতে পারব। আমার প্রস্তাব শুনে প্রথমেই লাফিয়ে উঠল সভাপতি আরাফাত শাহীন। তাকে দেখে মনে হলো, এখনই খাওয়া-দাওয়া শুরু করতে পারলে মন্দ হয় না।

সিদ্ধান্ত হলো, সপ্তাহের শুক্রবার যেহেতু ছুটির দিন তাই সেদিনই চড়ুইভাতি করা হবে এবং রান্নার সার্বিক দায়িত্ব এসে পড়ল বৃষ্টি (সাধারণ সম্পাদক) এবং আমার ওপর।

আরাফাত শাহীন ও বৃষ্টি নির্দিষ্ট দিনে সকাল সকাল চলে এলো।

তিনজন মিলে বাজারের কাজ সেরে ফেললাম। বৃষ্টি এবং আমি বাজার নিয়ে হলে ফিরে এলাম। কারণ, বর্ষার দিনে বাইরে রান্না করা নিরাপদ নয়। রান্না করতে গিয়ে অবশ্য বেশ বেগ পেতে হলো। পনেরজন মানুষের রান্না একসঙ্গে করা, কেমন হবে এটা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলাম। তবে খাওয়ার পর সবাই যখন প্রশংসা করল তখন বেশ ভালোলাগা কাজ করল।

খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল শেখ রাসেল স্কুলের মাঠে। আকাশে বেশ মেঘ ঘোরাফেরা করছিল। যে কোনো সময় বৃষ্টি নামার সমূহ সম্ভাবনা। আমাদের খাওয়া-দাওয়া যখন একদম শেষের দিকে তখনই ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। সবকিছু নিয়ে গুছিয়ে স্কুল ভবনে যেতে যেতে ভিজে গেলাম বেশ খানিকটা। তবে ভিজতে খারাপ লাগছিল না মোটেও। স্কুল ভবনে দাঁড়িয়েই আমাদের গল্প এবং আড্ডা জমে উঠল। সময়টা বেশ ভালোই কেটে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ হয়ে এলো প্রায়। তাই এগারজন’র এই আয়োজন মধুর স্মৃতি হয়েই থাকবে।

সহ-সভাপতি
এগারজন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়