জবির নিরাপত্তাকর্মীদের নেই পোশাক, পোহাতে হয় নানা ঝামেলা

ঢাকা, সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৬ বৈশাখ ১৪২৮

জবির নিরাপত্তাকর্মীদের নেই পোশাক, পোহাতে হয় নানা ঝামেলা

জবি প্রতিনিধি ৩:১৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৭, ২০২১

print
জবির নিরাপত্তাকর্মীদের নেই পোশাক, পোহাতে হয় নানা ঝামেলা

করোনার কারণে দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও বন্ধ নেই ক্যাম্পাস নিরাপদ রাখতে নিরাপত্তাকর্মীদের রাত-দিন প্রচেষ্টা। কিন্তু তাদের নেই কোন নির্দিষ্ট পোশাক।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য নিজস্ব কোনো পোশাক না থাকলেও নিরাপত্তাকর্মীদের থাকে নিজস্ব পোশাক। তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ পাহাড়াদার ও নিরাপত্তাকর্মীদের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা মেলে। তাদের নেই কোনো নিজস্ব পোশাক। সাধারণ ড্রেস পড়েই ডিউটি করতে হচ্ছে তাদের। এতে নানান সময় নানান বিড়ম্বনায় পোহাতে হয় পাহাড়াদার ও নিরাপত্তারক্ষীদের। কাউকে নির্দিষ্ট সময়ের পর ক্যাম্পাসে প্রবেশে বাধা দিলে নানান সময় পরিচয় নিয়ে সন্ধিহান থাকে অনেকে। নানান সময় রাস্তায় গাড়ির যানজট সরাতে গেলেও সাধারণ মানুষ ভেবেই তাদের সাথে অন্যরকম আচরণ করে অনেক ড্রাইভার ও পথচারী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন সর্বমোট ২২ জন নিরাপত্তাকর্মী রয়েছে। এদের অনেকে নিয়মিত আবার অনেকে দিন ভিত্তিক চুক্তিতে কাজ করে থাকে।

দ্বায়িত্বে কর্মরত একজন নিরাপত্তাকর্মী বলেন, আমরা স্যারদের বলেছি কিন্ত এখনো দিচ্ছে না। অনেক সময় আমাদের পোশাক না থাকায় নানা ঝামেলায় পরতে হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দায়িত্বরত কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মীর সাথে কথা বলেও জানা গেলো একই সমস্যা। তাদের অনেকেই জানান, আমাদের পোশাক নেই, অনেকের ছিড়ে গেছে, পুরাতন হয়ে গেছে। পোশাক না থাকলে অনেকে সাধারণ মানুষ মনে করে আমাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করে থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের পর ক্যাম্পাস থেকে বহিরাগতদের বের করতে গেলে ঝামেলা করে। পোশাক থাকলে সমস্যা হতো না।

নিরাপত্তা কর্মীদের দ্বায়িত্বে থাকা সহকারী রেজিষ্টার সায়েদুর রহমান রনি বলেন, লিভারেজ কমিটির কাছে পোশাকের জন্য আমরা আমাদের ফাইল জমা দিয়েছি। ওটা নিয়ে তারা কাজ করতেছে। আশা করি শীঘ্রই তাদের পোষাকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসবে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিরপত্তা কর্মীদের পোশাকের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামালকে অবহিত করা হলে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট পোশাক না থাকায় সাধারণ মানুষের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের আলাদা করা যায় না। তাই আমি সহকারী রেজিস্ট্রারকে নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সাথে তাদের পোশাকের ব্যাপারে কথা বলেছি।

বিষয়টি গুরুত্বের সহকারে বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, তাদের পোশাকের ব্যাপারে কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে শীগ্রই তারা পোশাক পাবে।