২৫ শতাংশ স্কুল খোলার প্রস্তাব

ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০ | ১৪ কার্তিক ১৪২৭

২৫ শতাংশ স্কুল খোলার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

print
২৫ শতাংশ স্কুল খোলার প্রস্তাব

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে জেলাপর্যায়ে ২৫ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মাঠপর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা। এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে স্ব স্ব মন্ত্রণালয়কে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ঘোষণা আসার পর মাঠপর্যায়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এসব মতামতের ভিত্তিতে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সভা করে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে। 

গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে সারা দেশের মাঠপর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন। অনেকে প্রথম ধাপে জেলাপর্যায়ের ২৫ শতাংশ বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার প্রস্তাব জানিয়েছেন। আরও অনেক জেলার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যেসব পরামর্শ আসবে, তার আলোকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

এরপর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি বিবেচনার মাধ্যমে কবে থেকে বিদ্যালয় খোলা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যালয়গুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত স্ব স্ব মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে- মন্ত্রিপরিষদ সচিবের এমন ঘোষণার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন ভিডিও কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেন। প্রথম ধাপে রাজধানী ঢাকার স্কুলগুলো না খুলে মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খোলার পরামর্শ এসেছে।

শহরের বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীরা টিভি, রেডিওসহ নানা মাধ্যমে ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছে। অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মফস্বলের শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।

নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা টিভি-রেডিওতে ক্লাসের সুযোগ পাচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষক-কর্মকর্তারা মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খুলে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।