ঢাবির প্রভাবশালী শিক্ষকরা সান্ধ্যকোর্স রাখার পক্ষে

ঢাকা, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ | ২০ চৈত্র ১৪২৬

ঢাবির প্রভাবশালী শিক্ষকরা সান্ধ্যকোর্স রাখার পক্ষে

সিনজাত রহমান সানি, ঢাবি ১০:৩৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০

print
ঢাবির প্রভাবশালী শিক্ষকরা সান্ধ্যকোর্স রাখার পক্ষে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোর্স নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তেই পৌঁছতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল। গত সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তুমুল তর্ক-বির্তকের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সভা। সান্ধ্য কোর্সের বিপক্ষে কথা বলা শিক্ষকদের এ সময় হেনস্তার শিকার হতে হয়। প্রভাবশালী শিক্ষকদের সিংহভাগ সান্ধ্যকোর্স রাখার পক্ষে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক খোলা কাগজকে বলেন, সান্ধ্যকালীন কোর্সকে সংশোধিত, যুগোপযোগী, পরিমার্জিত করার পক্ষে মত দিয়েছেন অধিকাংশ শিক্ষক এবং তাই হতে যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ শিক্ষকের মধ্যে ৩৪টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে প্রায় ৭২৫ শিক্ষক এই কোর্সের সঙ্গে জড়িত। এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নেতা, হয় ডিন নির্বাচনও। তাই ভোটের রাজনীতিও এক্ষেত্রে উল্টো ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন শিক্ষকরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানও সান্ধ্যকোর্স চালু থাকার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রো-উপাচার্যের (শিক্ষা) নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে তারা প্রতিবেদন দেবেন। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে সান্ধ্যকোর্স নিয়ে একটি নীতিমালা প্রণীত হবে। ওই নীতিমালার আওতায় জাতীয় চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা অনুযায়ী কোন কোন বিষয় খোলা হবে আর কোন বিষয়গুলো খোলা হবে না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

পরদিন মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভাষা শিক্ষা কোর্স এবং বিভিন্ন প্রকল্প ও সেন্টারসমূহ পরিচালিত প্রশিক্ষণ কোর্স ব্যতীত অন্যান্য সান্ধ্যকালীন বা অনিয়মিত কোর্সসমূহে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম ও ভর্তি বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রদান আগামী ৫ সপ্তাহ স্থগিত থাকার সিন্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় সান্ধ্যকালীন বা অনিয়মিত কোর্স সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদকে আহ্বায়ক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে আগামী ৫ সপ্তাহের মধ্যে বিধিমালা ও সুপারিশ প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ঢাবির ৫২তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, সান্ধ্যকালীন কোর্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও মান বিঘ্নিত করছে। তারপরই বিষয়টি নজরে এনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধ করার নির্দেশ দেয়।

কিন্তু সান্ধ্যকোর্স বন্ধ করা ঠেকাতে একাট্টা হয়েছেন ঢাবির সিংহভাগ প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থি শিক্ষকরা। এ ব্যপারে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি বাণিজ্যিক সান্ধ্যকোর্স বন্ধ না করে এটিকে একটি বিশেষ নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিলের সামনে প্রস্তাব তুলে ধরেন।

সান্ধ্যকোর্স পর্যালোচনা ও যৌক্তিকতা যাচাই কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৫টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে সান্ধ্যকোর্স আছে। মাস্টার্স, ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট, ট্রেনিং কোর্সসহ অনিয়মিত এসব কোর্সের সংখ্যা ৬৯। এর মধ্যে ৫১টি মাস্টার্স, ৪টি ডিপ্লোমা, ৭টি সার্টিফিকেট আর ৭টি ট্রেনিং কোর্স। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কোর্সের বাইরে ১০৫টি ব্যাচে এসব কোর্সে বছরে ৭ হাজার ৩০২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হন। তাদের ক্লাস নেন ৭২৫ জন শিক্ষক।

ডিন অফিস ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ব্যবসা শিক্ষা অনুষদে নিয়মিত শিক্ষার্থীর আসন সংখ্যা ১২৫০। অপরদিকে সব বিভাগে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু থাকায় অনিয়মিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৯৬৫। যা ৪৫ ব্যাচের মাধ্যমে ভর্তি হয়। পর্যালেচনা করলে দেখা যায়, এ অনুষদে নিয়মিত শিক্ষার্থীর আড়াই গুণ বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয় সান্ধ্যকালীন কোর্সে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯ ব্যাচে ৫৭০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করায় অনুষদটির ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ।

ম্যানেজমেন্ট বিভাগে দুটি সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। এর কোর্স ফি ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে তিন ব্যাচে ১৮০ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে বছরে কোর্স ফি বাবদ বিভাগ পায় ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

অপর একটি কোর্স হলো মাস্টার্স অব হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট। এর কোর্স ফি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে দুই ব্যাচে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে কোর্স ফি বাবদ আদায় করা হয় ৩ কোটি টাকা।

একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগে তিনটি সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনেস্ট্রশন। এর কোর্স ফি ৩ লাখ ৮ হাজার ৫শ টাকা। এ শাখায় বছরে তিন ব্যাচে ১৯৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে কোর্স ফি বাবদ আদায় করা হয় ৬ কোটি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ টাকা।
মাস্টার্স অব প্রফেশনাল ইন একাউন্টিংয়ের কোর্স ফি ২ লাখ ৬০ হাজার ৩০০ টাকা। দুই ব্যাচে ১৩০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে ৩ কোটি ৩৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা আদায় করা হয়।

অন্যটি হলো মাস্টার্স অব প্রফেশনাল একাউন্টিং ইন ট্যাক্সেশন। এর কোর্স ফি ৩ লাখ ৬২ হাজার ৮শ টাকা। এ শাখায় বছরে দুই ব্যাচে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে কোর্স ফি বাবদ আদায় করা হয় ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

মার্কেটিং বিভাগে দুটি সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রয়েছে। মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনেস্ট্রেশনের কোর্স ফি ২ লাখ ৫১ হাজার টাকা। এ শাখা বছরে তিন ব্যাচে ২২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করে। ফলে কোর্স ফি বাবদ ৫ কোটি ৬৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আদায় করা হয়।

মাস্টার্স অব প্রফেশনাল মার্কেটিংয়ের কোর্স ফি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে দুই ব্যাচে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। ফলে কোর্স ফি ২ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

ফিন্যান্স বিভাগে দুটি সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রয়েছে। মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনেস্ট্রশনের কোর্স ফি ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ শাখা বছরে তিন ব্যাচে ২১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করে। ফলে কোর্স ফি বাবদ ৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আদায় করা হয়।

মাস্টার্স অব প্রফেশনাল ফিন্যান্সের কোর্স ফি ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে দুই ব্যাচে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। ফলে কোর্স ফি বাবদ ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা আদায় করা হয়।

ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগে সর্বোচ্চ চারটি সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। এর কোর্স ফি ২ লাখ ৫১ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে তিন ব্যাচে ২১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে কোর্স ফি বাবদ আদায় করা হয় ৫ কোটি ২৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। মাস্টার্স অব ইন্স্যুরেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্টের কোর্স ফি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। দুই ব্যাচে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে ৩ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

মাস্টার্স অব প্রফেশনাল ব্যাংকিংয়ের কোর্স ফি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে দুই ব্যাচে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে কোর্স ফি বাবদ আদায় করা হয় ৩ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। মাস্টার্স অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্টের কোর্স ফি ২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে দুই ব্যাচে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে কোর্স ফি বাবদ আদায় করা হয় ৩ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগে একটি সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রয়েছে। তা হলো মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। এর কোর্স ফি ১ লাখ ২০ হাজার ৫০০ টাকা। এ শাখায় বছরে তিন ব্যাচে ১৯৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে বছরে কোর্স ফি বাবদ বিভাগ পায় ২ কোটি ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা।

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগে দুটি সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। এর কোর্স ফি ২ লাখ ৬১ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে তিন ব্যাচে ১৯৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসাবে বছরে কোর্স ফি বাবদ বিভাগ পায় ৫ কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

অপর একটি কোর্স হলো মাস্টার্স অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস। এর কোর্স ফি ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। এ শাখায় বছরে দুই ব্যাচে ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সে হিসেবে কোর্স ফি বাবদ আদায় করা হয় ২ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে একটি সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু রয়েছে। প্রতি বছরে তিন ব্যাচে ২২৫ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। আনুমানিক কোর্স ফি আড়াই লাখ টাকা ধরলে এর কোর্স ফি হয় ৫ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগে তিন ব্যাচে ২১০ জন শিক্ষার্থী নেওয়া হলে কোর্স ফি দাঁড়ায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

সান্ধ্য কোর্স থেকে আয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ। এ অনুষদে বছরে ১৮টি ব্যাচ ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আয় বছরে ৪৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৮৭ লাখ, সমাজবিজ্ঞানের ৭৫ লাখ, লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫৪ লাখ ৪০ হাজার, পপুলেশন সায়েন্স-এন ৮৭ লাখ ২৫ হাজার, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার; টিভি, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি ১৩ লাখ ৬৫ হাজার, ক্রিমিনোলোজি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার, যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগের ২৫ লাখ, প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন্স ৩৮ লাখ ৩১ হাজার, জাপানিজ স্টাডিজ ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় হয়।

অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে ইসলামিক স্টাডিজ ৭৮ লাখ ১২ হাজার, তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ ১ কোটি, পরিসংখ্যান ৪ লাখ, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ ৪২ লাখ, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ৬০ লাখ টাকা আয় করে সান্ধ্য কোর্স থেকে।

ইনস্টিটিউটের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টলেশন ৭০ লাখ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট ৩৮ লাখ ১৬ হাজার, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ৮৫ লাখ, তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ৬৪ লাখ ৮০ হাজার, শক্তি ইনস্টিটিউট ৭৩ লাখ ৯ হাজার, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভলনারেবিলিটি ১ কোটি ৪ লাখ ও সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউট ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা আয় করে।