মতিহারের সবুজ চত্বরে নবীন প্রাণের উচ্ছ্বাস

ঢাকা, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১২ ফাল্গুন ১৪২৬

মতিহারের সবুজ চত্বরে নবীন প্রাণের উচ্ছ্বাস

আলী ইউনুস হৃদয়, রাবি ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২০

print
মতিহারের সবুজ চত্বরে নবীন প্রাণের উচ্ছ্বাস

শীতের সকালে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুর্যিমামাও উঁকি দেয়। আলো ছড়ায়। সেই আলোর ছোঁয়া দোলা দেয় মতিহারের সবুজ চত্বর নামে পরিচিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আগত নবীন শিক্ষার্থীদের প্রাণে। সকাল ১০টা থেকেই ক্যাম্পাসে নবীন প্রাণের উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়ে।

সকাল থেকেই নবীনদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড, জোহা চত্বর, শহীদ মিনার, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বর, চারুকলা, টুকিটাকি চত্বর, আমতলা, শেখ রাসেল চত্বর, শহীদ মিনার, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বধ্যভূমিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি একাডেমিক ভবন। কারও হাতে গোলাপ কারও হাতে রজনীগন্ধা, দলবেঁধে ক্যাম্পাসে ছুটে চলা বা আড্ডায় বন্ধুত্ব সৃষ্টির চেষ্টা। কেউ কেউ আবার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিনটিকে স্মৃতিময় করে রাখতে ছবি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করেন।

গতকাল মঙ্গলবার স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বিভাগের পক্ষ থেকে বরণ করে নেওয়া হয়। প্রতিটি বিভাগে বিভাগীয় প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় শুভেচ্ছা ক্লাস। অধিকাংশ বিভাগেই সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় নবীনবরণ। তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষক, বড় ভাই ও বোনদের ভালোবাসায় সিক্ত হন শিক্ষার্থীরা। নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তাদের স্বপ্নের কথা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জাকির হোসেন বলেন, নতুন বন্ধুত্ব ও নতুন ক্যাম্পাস খুব ভালো লাগছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই-বোন, শিক্ষক সবাই আন্তরিক।

তারা আমাদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক কথা বলেছেন, যা আমাদের ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। প্রথমদিকে ভাবতাম বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাগ দেওয়া হয়। কিন্তু এখন সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়াও র‌্যাগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনেক সচেতন। সব মিলিয়ে অনেক ভালো লাগছে।

ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিদরাতুল মুনতাহা বলেন, দীর্ঘ পরিশ্রমের ফলে লালিত স্বপ্ন ও মনের আশা পূরণ হয়েছে। বিশেষ করে সৌন্দর্যবেষ্টিত রাবি ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়ে ভালোলাগা বেড়ে গেছে। এ সুন্দর ক্যাম্পাসে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত।