বশেমুরবিপ্রবির ১৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

বশেমুরবিপ্রবির ১৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ১০:২২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৯

print
বশেমুরবিপ্রবির ১৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ১৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) প্রশাসন। এদের মধ্যে ছয়জনকে গত ২১ সেপ্টেম্বর সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সম্পৃক্ত থাকার কারণে এবং ৭ জনকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের (এ ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নুরুদ্দীন আহমেদ দুটি আলাদা অফিস আদেশে এ বহিষ্কার আদেশ দেন।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় সম্পৃক্ত থাকায় বহিষ্কৃত ছয় শিক্ষার্থী হলো- ম্যানেজমেন্ট বিভাগের রাফিজুল ইসলাম, নুরুদ্দীন নাহিদ, আরিফুল ইসলাম সাকিব, মাজহারুল ইসলাম মিশন, রাহাত আল আহসান ও ইসমাইল শেখ। এর মধ্যে ইসমাইল শেখকে দুই সেমিস্টারের জন্য এবং অপর পাঁচজনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে গত ৫ নভেম্বর এই ছয় শিক্ষার্থীকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. নুরুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘গত ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে ২০ অক্টোবর গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে এই বহিষ্কার আদেশ দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে ভর্তি পরীক্ষায় প্রতারক চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বহিষ্কৃত সাত শিক্ষার্থী হলো, এ আই এস বিভাগের এমবিএ শিক্ষার্থী বাবু শিকদার বাবু, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের (৩য় বর্ষে) শিক্ষার্থী মো. নয়ন খান ও নিয়ামুল ইসলান, আইন বিভাগের (৩য় বর্ষ) অমিত গাইন, আইন বিভাগের (২য় বর্ষ) মানিক মজুমদার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (২য় বর্ষ) রনি খান ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের (৩য় বর্ষ) মনিমুল হক। এদের দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত গত ৯ নভেম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার আগে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ শিক্ষার্থীকে আটক করে। পরবর্তীতে ঘটনার সত্যতা খুঁজে বের করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে এই ৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষায় প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।