জাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬

জাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

জাবি প্রতিনিধি ১:৩২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৫, ২০১৯

print
জাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অপসারণ দাবিতে চলমান অবরোধে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় নারী শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে তার বাসভবন অবরুদ্ধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে আন্দোলনকারীদের ঘিরে চার স্তর বিশিষ্ট বহর তৈরি করে মুখোমুখি অবস্থান নেন উপাচার্যপন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

গত ২৪ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা টানা ১০ দিনের মতো নতুন ও পুরনো দুইটি প্রশাসনিক ভবনই অবরোধ করে রাখা হয়।

ফলে এই ১০ দিন ভিসি, দুই প্রো-ভিসি, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রারসহ কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীই প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে পারেননি। কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। তবে একাডেমিক কার্যক্রম অনেকটা স্বাভাবিক রয়েছে। এরই মধ্যে আজ হামলার ঘটনা ঘটলো।

জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের বাসভবন অবরোধ করে রাখে আন্দোলনকারীরা। পরে মঙ্গলবার সকালে তাদের কর্মসূচিতে অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় নারী শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষকদেরও লাঞ্ছিত করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এদিকে এ ঘটনার পরেও আন্দোলনকারী শিক্ষকরা ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান করছেন। তবে হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে শিক্ষার্থীরা সরে গেছেন।

উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তার বাসভবন অবরুদ্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক রায়হান রাইন।

গত ২৪ অক্টোবর থেকে সোমবার পর্যন্ত ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা টানা ১০ দিনের মতো নতুন ও পুরনো দুইটি প্রশাসনিক ভবনই অবরোধ করে রেখেছে।

ফলে এই ১০ দিন ভিসি, দুই প্রো-ভিসি, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রারসহ কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীই প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে পারেননি। কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। তবে একাডেমিক কার্যক্রম অনেকটা স্বাভাবিক রয়েছে।

অন্যদিকে নতুন করে অবরোধের আওতায় এসেছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস। এতে পরীক্ষা সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে জটিলতা ও স্থবিরতা তৈরি হচ্ছে।