দাবি আদায়ে রাজপথে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯ | ৭ কার্তিক ১৪২৬

দাবি আদায়ে রাজপথে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা

হাবিবুর রনি, বাকৃবি ৩:০৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯

print
দাবি আদায়ে রাজপথে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দুটি অনুষদের শিক্ষার্থীরা চারটি পৃথক দাবিতে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) পশুপালন অনুষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে ওই মানবন্ধনের আয়োজন করে। একইদিন দুপুর ১টায় কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল ও পরে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।

গত বুধবার থেকেই দুটি অনুষদের দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি, বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থীদের দাবি, বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে কৃষি প্রকৌশল ক্যাডার পদ সৃষ্টি ও কৃষি অধিদপ্তরে কৃষিভিত্তিক অন্যান্য বিষয়ের মতো কৃষি প্রকৌশলীদের জন্য আলাদা শাখা চালু করতে হবে। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে এ অনুষদের শিক্ষকেরাও একাত্মতা ঘোষণা করেছেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ুয়া সব শিক্ষার্থী বিসিএসে টেকনিক্যাল ক্যাডারের সুযোগ পেলেও শুধু কৃষি প্রকৌশলীরা এ সুযোগ পাচ্ছেন না। এটা একেবারেই অমানবিক। প্রকৌশল ও কৃষির যান্ত্রিকীকরণ ছাড়া সামগ্রিক কৃষির উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা কৃষি মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এদিকে, দুই দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত নতুন অর্গানোগ্রাম থেকে সংশ্লিষ্ট ক্যাডারে প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারিত কর্মকর্তা (এলইও) পদটি অর্থ মন্ত্রণালয় বাদ দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল আয়োজিত এক মানববন্ধনে পদটি পুনর্বহাল এবং অধিদপ্তরে ডাইরেক্টর পৃথকীকরণের দাবি করেন তারা। বক্তারা বলেন, প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে পদটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় নতুন অর্গানোগ্রামে এ পদের জন্য সুপারিশ করে। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে অর্থ মন্ত্রণালয় অর্গানোগ্রাম থেকে সুপারিশ করা এই পদ উঠিয়ে দিয়েছে, যা পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক।