ডাকসু নির্বাচনে অনিয়ম পায়নি তদন্ত কমিটি

ঢাকা, বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ | ১২ আষাঢ় ১৪২৬

ডাকসু নির্বাচনে অনিয়ম পায়নি তদন্ত কমিটি

ঢাবি প্রতিনিধি ২:১৯ অপরাহ্ণ, মে ৩১, ২০১৯

print
ডাকসু নির্বাচনে অনিয়ম পায়নি তদন্ত কমিটি

দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত মার্চে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছে। দীর্ঘ দুই মাসব্যাপী তদন্ত শেষে কমিটির সদস্যরা এ নির্বাচনে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পায়নি। তবে ভবিষ্যতে ডাকসুর নির্বাচনকে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য করতে কিছু পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

গত বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটি ওই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। জানা গেছে, ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের দিন কোনো ভোটার (শিক্ষার্থী) ভোট দিতে পারেননি- এমন কোনো লিখিত অভিযোগ তদন্ত কমিটি পায়নি। এছাড়া ভোট দিতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন এমন অভিযোগও কেউ করেননি।

এমনকি ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা হট্টগোলের তথ্যও পাওয়া যায়নি। শুধু ভোটার সারিতে কিছুটা অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

ভবিষ্যতে ডাকসু নির্বাচনকে আরও গ্রহণযোগ্য করতে ব্যালট পেপারে নম্বর সংযোজন ও ভোটারদের হাতে অমোচনীয় কালি ব্যবহারের ব্যাপারে সুপারিশ করেছে কমিটি।

গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জন করে এতে অংশ নেওয়া পাঁচটি প্যানেল। প্যানেলগুলোর অভিযোগ ও আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ২১ মার্চ সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। ২৩ মে উপাচার্যের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক সাজেদা বানুকে আহ্বায়ক ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমানকে সদস্য সচিব করে গঠিত ওই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন- জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. ইমদাদুল হক, স্যার পি জে হার্টগ ইটারন্যাশনাল হলের প্রাধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিক উজ জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এবং পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শারমিন রুমি আলীম।