ঢাকা, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ১৮ মাঘ ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

রাকসু ও সিনেট কার্যকরের দাবিতে রাবিতে সংহতি সমাবেশ

আছিয়া খাতুন, রাবি
🕐 ৭:২৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২২

রাকসু ও সিনেট কার্যকরের দাবিতে রাবিতে সংহতি সমাবেশ

কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও সিনেট কার্যকরের দাবিতে সংহতি সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আয়োজনে এই সমাবেশ করা হয়।

সমাবেশে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সদস্য সচিব আমানুল্লাহ খান বলেন, আজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে সিট বানিজ্য, ক্যম্পাসের খাবার দাম নিয়ে অনেকে তাদের নিজস্ব জায়গা থেকে বা রাজনৈতিক দলের জায়গা থেকে কথা বলছে। কিন্তু এসব অন্যায় ও সমস্যা নিয়ে কথা বলার জন্য শিক্ষার্থীদের নিজস্ব জায়গা নেই। এজন্য ৭৩’র আইন অনুযায়ী রাকসু থাকার কথা ছিলো। রাকসু থাকলে এসব অন্যায় হতো না। শিক্ষার্থীদের অধিকার ঠিকই আদায় হতো।

তিনি আনও বলেন, আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে পাঁচ জন রাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকার কথা। কিন্তু সেটা আমরা তিন দশক ধরে দেখছি না। রাকসু না থাকার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুযোগ নিচ্ছে। তারা তাদের পদপদবিগুলো উপভোগ্য করে তুলছে।

রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, গণতন্ত্র, শিক্ষার্থীদের অধিকার, সিনেট এবং রাকসু কার্যকরের জন্য আমাদের আজকের সমাবেশ। প্রশাসন নিজেদের সুযোগ-সুবিধার জন্য রাকসু নির্বাচন দিচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাকসু জন্য ফি, চিকিৎসা সেবার জন্য ফি, ইন্টারনেট ফিসহ নামে-বেনামে ফি নিচ্ছে কিন্তু শিক্ষার্থীদের অধিকার কার্যকর হচ্ছে না। চিকিৎসা সেবাও ঠিকমতো দিতে পারছে না।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অন্যদিকে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু করে সার্টিফিকেট বিক্রির প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছে। পোষ্য কোটায় শিক্ষক, কর্মচারীদের ফেল করা সন্তানদের ভর্তি করানো হচ্ছে। একজন শিক্ষক যখন তার সন্তানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির যোগ্য করে তুলতে পারছে না সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কিভাবে যোগ্য করে তুলবে? তাই এসব অন্যায়, দুর্নীতি, অনিয়ম বন্ধে দ্রুত সিনেট ও রাকসু কার্যকর করতে হবে। যতদিন সিনেট ও রাকসু কার্যকর হবে না, ততদিন আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

সমাবেশে সংহতি জানিয়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রাবি শাখা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান, রাকসু আনদোলন মঞ্চের সংগঠক মুত্তাকিন রুদ্র, উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী জাকির হোসেন এবং আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী নাজিম।

 
Electronic Paper