পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি

ঢাকা, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি

বিজ্ঞান

সরওয়ার হোসেন ৬:৫০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৫, ২০১৯

print
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি

দ্বিতীয় অধ্যায় কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন
প্রশ্ন : পরিবেশ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : পরিবেশ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা :
পৃথিবীতে মানুষসহ অন্যান্য জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় পরিবেশ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান পানি, মাটি, বায়ু প্রভৃতি ক্রমান্বয়ে দূষিত হতে থাকলে দূষণের প্রভাবে বনজঙ্গলের পরিমাণ ব্যাপক হারে হ্রাস পাবে।
আর বনজঙ্গলের পরিমাণ কমে গেলে উদ্ভিদ ও প্রাণী হারিয়ে যাবে। ফলে পৃথিবীর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। তাই বলা যায়, জীবজগতের অস্তিত্ব রক্ষা করতে চাইলে অবশ্যই পরিবেশ সংরক্ষণ করতে হবে।

প্রশ্ন : বায়ু কী কী কারণে দূষিত হয়? বায়ু দূষণের চারটি প্রতিকার লেখো।

উত্তর :
১. কল-কারখানা ও যানবাহনের নির্গত কালো ধোঁয়া।
২. গাছপালা ও ময়লা আবর্জনা পোড়ানো।
৩. যেখানে-সেখানে মলমূত্র ত্যাগ।
৪. বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস ও ধূলিকণা বায়ুতে মেশে।
৫. যেখানে-সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা।
বায়ু দূষণের চারটি প্রতিকার
১. কল-কারখানা ও যানবাহনের কালো ধোঁয়া নির্গমন কমাতে হবে।
২. গাছপালা ও ময়লা আবর্জনা পোড়ানো যাবে না। বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩. যেখানে-সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করা যাবে না ও নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলতে হবে।
৪. বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।

প্রশ্ন : পরিবেশ দূষণ বলতে কী বোঝ? পরিবেশ সংরক্ষণের পাঁচটি উপায় লেখ।
উত্তর : বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশকে নানাভাবে ব্যবহার করা হয়। ফলে পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবেশ যখন জীবের জন্য ক্ষতিকর তখন তাকে পরিবেশ দূষণ বলে।
পরিবেশ সংরক্ষণের পাঁচটি উপায় নিচে লেখা হলো-
১. বিদ্যুৎ বা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে।
২. পরিবেশবান্ধব যানবাহন ব্যবহার করা, হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করা।
৪. মাটি, পুকুর বা নদীতে ময়লা আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।
৫. বেশি বেশি গাছ লাগানো।

প্রশ্ন : পানি দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগের নাম লেখ। মাটি দূষণের প্রভাবে মানুষের সৃষ্ট সমস্যা চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর : পানি দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগের নাম হলো- কলেরা ও ডায়রিয়া।
১. জমির উর্বরতা নষ্ট হয়।
২. গাছপালা ও পশুপাখি মারা যায়।
৩. মানুষ কলেরা, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়।
৪. মাটি দূষণের ফলে বায়ু ও পানি দূষিত হয়। ফলে মানুষ সহজেই নানা রকম রোগে আক্রান্ত হয়।

প্রশ্ন : কলকারখানার বর্জ্য পানিকে দূষিত করে। পাঁচটি বাক্যে পানি দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : পানি দূষণের পাঁচটি কারণ নিম্নে দেওয়া হলো-
১. কলকারখানার ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ পানি দূষিত করে।
২. কৃষিকাজে ব্যবহৃত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার দ্বারা পানি দূষিত হয়।
৩. গৃহস্থালি ও হাসপাতালের বর্জ্য দ্বারা পানি দূষিত হয়।
৪. মানুষ ও পশু-পাখির মলমূত্র পানিতে মিশে পানি দূষিত করে।
৫. এসিড বৃষ্টির কারণে পানি দূষিত হয়।

প্রশ্ন : পরিবেশ দূষণের তিনটি কারণ লেখ। পরিবেশ দূষণ রোধে তিনটি পরামর্শ দাও।
উত্তর : পরিবেশ দূষণের তিনটি কারণ নিম্নে দেওয়া হলো-
১. শিল্পায়ন
২. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার
৩. নির্বিচারে গাছ কাটা।
পরিবেশ দূষণরোধে তিনটি পরামর্শ-
১. ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।
২. অধিক হারে বৃক্ষ রোপণ করা।
৩. লোকালয় থেকে দূরে কলকারখানা স্থাপন করা।


সিনিয়র শিক্ষক, সাতারকুল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা।