পাঠ্যবইয়ের গুরুত্ব দাও

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯ | ৬ চৈত্র ১৪২৫

এইচএসসি পরীক্ষা-২০১৯

পাঠ্যবইয়ের গুরুত্ব দাও

ভূগোল

মিজানুর রহমান ৩:২২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৪, ২০১৯

print
পাঠ্যবইয়ের গুরুত্ব দাও

প্রথমপত্র
প্রিয় পরীক্ষার্থীরা, ভালো ফলের জন্য প্রথমত পাঠ্যবই অনুশীলন করতে হবে। পাঠ্যবই অনুশীলন ছাড়া সঠিক ও মানসম্মত উত্তর লেখা সম্ভব হয় না। ভূগোল মূলত চিত্রভিত্তিক বিষয়, সে জন্য বর্ণনার পাশাপাশি চিত্র অঙ্কন করতে হবে। ভালো নম্বর পেতে হলে এ বিষয়ের একাধিক বই অনুশীলনের পাশাপাশি সঠিক ও মানসম্মত লেখার দিকেও জোর দিতে হবে।

অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো জানা থাকলে প্রশ্ন যেমনই হোক, পরীক্ষা ভালো হবে।

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্নের ক্ষেত্রে ‘ভূত্বক ও পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন’ সম্পর্কিত আলোচনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভূত্বক সম্পর্কে বর্ণনা দেওয়ার সময় ভূ-অভ্যন্তরীণ স্তরবিন্যাসের চিত্র দেওয়া যাবে।
অনুধাবনমূলক প্রশ্নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ-
মালভূমি, সমভূমি, পর্বত, ভূত্বক, সিয়ান সিসা, কেন্দ্রম-ল, বালিয়ারি ইত্যাদির সংজ্ঞা।
জ্ঞানমূলকের ক্ষেত্রে-প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান, বরেন্দ্রভূমির বর্ণনা, ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি ইত্যাদি।
‘প্রাকৃতিক ভূগোল’
থেকে জ্ঞানমূলকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ-
প্রকৃতি ও পরিসর, বিষয়বস্তু, অধ্যয়নের গুরুত্ব।
প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা-
ভূমিরূপবিদ্যা, বারিতত্ত্ব, জলবায়ুতত্ত্ব।
ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি, সুনামি, নদী দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন ভূমিরূপ ‘প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা’র জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ওই বিষয়ের কোনো প্রশ্নে বর্ণনার পাশাপাশি চিত্রের মাধ্যমে বর্ণনাকে পরিপূর্ণভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব।
‘বায়ুম-ল ও বায়ুদূষণ’ থেকে বায়ুম-লের স্তরবিন্যাস, বায়ুদূষণের কারণ, প্রভাব এবং প্রতিরোধ প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়গুলোর বর্ণনার সঙ্গে বিভিন্ন প্রকার চিত্র ব্যবহার করা যাবে।
যেমন-বায়ুম-লের বিভিন্ন
স্তর, দূষণের মধ্যে ইটভাটা, কলকারখানার ধোঁয়া, বর্জ্য পদার্থ পানিতে নিষ্কাশন ইত্যাদি। বিভিন্ন স্তরের বর্ণনা অনুধাবনে থাকতে পারে।
যেমন- ট্রপোস্ফিয়ার, ট্রটোস্ফিয়ার ইত্যাদি। সংজ্ঞামূলক কিছু প্রশ্ন জ্ঞানমূলকে থাকতে পারে। যেমন- দূষণ, দূষক।
‘জলবায়ুর উপাদান ও জলবায়ুর অঞ্চল’ থেকে বিভিন্ন জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য, বায়ু প্রবাহের কারণ, বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ চিত্র উপস্থাপনের সাহায্যে সহজে বুঝিয়ে লিখবে।
‘বারিমণ্ডল, সমুদ্র স্রোত ও জোয়ার-ভাটা’ থেকে বিভিন্ন মহাসাগরের তলদেশ, সমুদ্র স্রোতসমূহ, পানিচক্র, জোয়ার-ভাটা বিষয় ‘প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা’র জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এ বিষয়ে বর্ণনার পাশাপাশি চিত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে মানসম্মত উত্তর দেওয়া সম্ভব।
প্রত্যেক অধ্যায়ের সংজ্ঞাভিত্তিক প্রশ্নগুলো জ্ঞানমূলকে থাকতে পারে। অনুধাবনের জন্য বুঝিয়ে লেখা, বর্ণনা, বৈশিষ্ট্যমূলক প্রশ্ন থাকতে পারে। যেমন : জোয়ার-ভাটা বলতে কী বুঝায়?
জীবম-লের কার্বন, নাইট্রোজেন চক্র, বাংলাদেশের বায়োম, ইকোসিস্টেম, পরিবেশদূষণ ও প্রতিরোধের উপায়- এ অংশগুলো বেশি গুরুত্ব সহকারে অধ্যয়ন করবে।

মিজানুর রহমান 
সহকারী অধ্যাপক
একেএম রহমত উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঢাকা।