পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি

ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৪ পৌষ ১৪২৫

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি

বাংলা

আলিফ লায়লা ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১০, ২০১৮

print
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি

প্রশ্ন : সে কবে কোথা থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল?
উত্তর : ভূমিকা : ‘ভাবুক ছেলেটি’ একজন বাঙালি বিজ্ঞানীর জীবনী। তিনি স্যার জগদীশচন্দ্র বসু।
তিনি যখন যেখান থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন : মহান বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন। ছোটবেলায় বাড়িতেই তার পড়াশোনা আরম্ভ। তারপর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে ভর্তি হন। অতঃপর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে ১৮৭৪ সালে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
মন্তব্য : স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন। এ কারণে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

প্রশ্ন : কখন থেকে তিনি ‘বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু’ হয়ে ওঠেন?
উত্তর : ভূমিকা : ‘ভাবুক ছেলেটি’ বৈজ্ঞানিক জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনী।
যখন থেকে তিনি ‘বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু’ : জগদীশচন্দ্রের ইচ্ছা ছিল ডাক্তারি পড়ার। এ উদ্দেশে তিনি ১৮৮১ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। এখান থেকে ট্রাইপাস পাস করেন। তারপর লন্ডন থেকে বিএসসি পাস করেন। ১৮৮৫ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হন। তার পদটি ছিল অস্থায়ী। তখন ইংরেজ অধ্যাপকদের তিন ভাগের দুই ভাগ বেতন পেতেন ভারতীয়রা। কিন্তু অস্থায়ী হওয়ায় তার আরও অর্ধেক বেতন কেটে রাখা হতো। এ কারণে তিনি বেতন ছাড়াই তিন বছর চাকরি করেন। এ সময় তিনি অনেক গবেষণা করেন। তার গবেষণাগুলো লন্ডনের রয়েল সোসাইটির জার্নালে প্রকাশিত হয়। ইংরেজ সরকার তখন থেকেই জগদীশচন্দ্রকে স্বীকৃতি দেয়। তিনি ‘বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র’ বসু হয়ে ওঠেন।
মন্তব্য : জগদীশচন্দ্র বসু ছিলেন জ্ঞানী মানুষ। বেতন ছাড়াও তিনি মনোযোগ দিয়ে গবেষণা করেন। স্বীকৃতি পান বিজ্ঞানীর।

প্রশ্ন : তিনি বেশি পরিচিতি লাভ করেন কোন সত্য প্রমাণ করে?
উত্তর : ভূমিকা : ‘ভাবুক ছেলেটি’ বৈজ্ঞানিক জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনীমূলক রচনা। তিনি প্রথম বাঙালি বিজ্ঞানী।
যে সত্য প্রমাণ করে তিনি বেশি পরিচিতি লাভ করেন : গাছের প্রাণ আছে এ সত্য প্রমাণ করে বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু বেশি পরিচিতি লাভ করেন। জগদীশচন্দ্র বসু বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করেন। তিনি প্রথম উদ্ভিদ ও প্রাণীর মিল খুঁজে পান। প্রমাণ করেন ‘গাছেরও প্রাণ আছে’ আর এ সত্য তাকে পরিচিতি এনে দেয়।
মন্তব্য : জগদীশচন্দ্র বসু একজন সত্য সন্ধানী বিজ্ঞানী।

সিনিয়র শিক্ষক
সাতারকুল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা।