ওষুধে স্বাস্থ্যঝুঁকি রোধ কাম্য

ঢাকা, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০ | ২১ শ্রাবণ ১৪২৭

ওষুধে স্বাস্থ্যঝুঁকি রোধ কাম্য

সম্পাদকীয় ৯:১৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯

print
ওষুধে স্বাস্থ্যঝুঁকি রোধ কাম্য

ডায়াবেটিস বর্তমানে সারা বিশ্বের রোগ। কোটি কোটি মানুষ ভুগছে এ রোগে। রোগটি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রোগীর সঙ্গে থাকে, শতভাগ নির্মূল সম্ভব নয়। বাংলাদেশেও রয়েছে লাখ লাখ ডায়াবেটিস রোগী। টাইপ এ এবং টাইপ বি-র রোগীরা প্রতিষেধক হিসেবে ওষুধ ব্যবহার করছেন। সম্প্রতি ডায়াবেটিসের ওষুধ মেটফরমিনে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক এন-নাইট্রোসোডিমিথাইলামিনের (এনডিএমএ) বিপজ্জনক মাত্রার উপস্থিতির আশঙ্কায় এ ওষুধটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে।

বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের ব্যবহৃত ডায়াবেটিসের এ ওষুধে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক উপাদান থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। মেটফরমিনে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় এনডিএমএর উপস্থিতি পাওয়ার পর সিঙ্গাপুরের বাজার থেকে ইতোমধ্যে ওষুধটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

গ্লুকোফেইজ নামের মেটফরমিন গ্রুপের একই ক্যাটাগরির ওষুধটি যুক্তরাজ্যের মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রোডাক্টস রেগুলেটরি এজেন্সি (এমএইচআরএ) ব্রিটেনের বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া যায় কিনা; সে বিষয়ে বিবেচনা করছে।

স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কায় বাংলাদেশেও একই গ্রুপের রেনিটিডিন উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়। ডায়াবেটিসের রোগীদের স্বাভাবিক অন্যান্য ওষুধ সেবন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। গত সপ্তাহে সিঙ্গাপুরের বাজারে মেটফরমিন গ্রুপের ৪৬ ধরনের ওষুধের মধ্যে তিনটিতে বিপজ্জনক মাত্রায় এনডিএমএ পাওয়া যায়।

এরপর ওষুধটি বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার নির্দেশ দেয় সিঙ্গাপুর। এ ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ যাতে বাংলাদেশের বাজার দখল করতে না পারে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা মনোযোগী থাকবেন বলেই আমাদের প্রত্যাশা।