পাট খাতে বিশেষ তহবিল

ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পাট খাতে বিশেষ তহবিল

সুদিনের প্রত্যাশা

সম্পাদকীয় ৯:২১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০১, ২০১৯

print
পাট খাতে বিশেষ তহবিল

সোনালি আঁশ বলে খ্যাত পাটের সুদিন ফেরানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যথোপযুক্ত চেষ্টা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে পাট খাতে সহায়তার জন্য আট শতাংশ হারে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল করেছে সরকার। নির্দিষ্ট এ তহবিল থেকে অর্থ নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর স্ব স্ব পাট খাতের গ্রাহকদের মাঝে বিতরণ করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক পাট খাতের গ্রাহকদের মাঝে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বল্প সুদের এ ঋণ বিতরণ করেনি বলে প্রমাণিত হওয়ায় ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে আট শতাংশ সুদে সে সব বঞ্চিত গ্রাহককে ঋণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

খোলা কাগজে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, সরকার পাট খাতের সহায়তার জন্য নতুন করে ১০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করে। এ তহবিল আবর্তনশীল তহবিল। এর মেয়াদ পাঁচ বছর। ২০১৪ সালে গঠিত ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়। নতুন ১০০ কোটি টাকা ওই তহবিলে যুক্ত হয়ে ৩০০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সময় আরও বৃদ্ধি করা হয়। পাট খাতের উদ্যোক্তারা স্ব স্ব ব্যাংকের কাছ থেকে আট শতাংশ সুদে এ ঋণ গ্রহণ করবে। ওই ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাঁচ শতাংশ হারে পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণ করবে। এ ঋণ বিতরণ করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৬টি ব্যাংক চুক্তিবদ্ধ হয়। এসব ব্যাংক পাট ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারক গ্রাহকদের মাঝে ঋণ বিতরণ করে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, যে সব ব্যাংকের পাট ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারক গ্রাহক আছে কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল সংগ্রহ করেনি সে সব ব্যাংকের পাট সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা স্বল্প সুদ ও সহজ শর্তের এ সব ঋণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সূত্র মতে, এখন পর্যন্ত দ্য সিটি ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) গ্রাহকরা এ ধরনের ঋণ চেয়ে ব্যাংকের কাছ থেকে পায়নি। ঋণ দিতে ব্যর্থ এ ধরনের ব্যাংকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আমরা পাট খাতের উন্নতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার বাস্তবায়ন দেখতে চাই, এক্ষেত্রে বেসরকারি ব্যাংগুলোর আন্তরিকতা একান্তভাবে কাম্য।